আজ: ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার, ১১ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, ১৪ই শাবান, ১৪৪৫ হিজরি, বিকাল ৩:০৩
সর্বশেষ সংবাদ
জেলা সংবাদ, রাজশাহী বিভাগ সারিয়াকান্দিতে পুলিশের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাঁধা

সারিয়াকান্দিতে পুলিশের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাঁধা


পোস্ট করেছেন: অনলাইন ডেক্স | প্রকাশিত হয়েছে: ২৫/০২/২০২৩ , ১০:০৩ অপরাহ্ণ | বিভাগ: জেলা সংবাদ,রাজশাহী বিভাগ


স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার ফুলবাড়ী ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর এলাকায় দুইজন মাদক কারবারি কে লোপেন্টা ট্যাবলেট সহ গ্রেফতার পূর্বক প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে বিক্রেতাকে গ্রেফতার করার সময় জনগণের বাঁধার সম্মুখীন হয়েছেন সারিয়াকান্দি থানা পুলিশ।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ২৫ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) সারিয়াকান্দিতে অভিযান পরিচালনা করে দুইজন মাদক কারবারি কে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার বিকেলে বিক্রেতা রামচন্দ্রপুর বাজারে বিসমিল্লাহ ফার্মেসী তে অভিযান পরিচালনা করলেও অভিযানকালে কোন মাদক উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। এ সময় বিসমিল্লাহ ফার্মেসীর মালিক সেবিন মিয়া কে গ্রেফতার করতে গেলে স্থানীয়রা ঐ আসামীকে ধরতে বাঁধা দেন। যাতে পুলিশের পেশাগত দায়িত্ব পালনে ব্যাঘাত ঘটে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো মাদক কারবারি বিক্রেতার তথ্য দিলে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে পারে। এখানে মাদক পাওয়া না পাওয়া জরুরী নয়। এই ঘটনায় উপযুক্ত তদন্তের দাবী জানিয়েছেন সুশীল সমাজ।

এই ঘটনায় সেবিন মিয়ার বড় ভাই আজাদ মিয়ার সাথে কথা হলে সে দাবী করেন, তার ভাই সেবিন আর মাদকের ব্যবসা করেন না। আর যাদের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ সেবিন কে গ্রেফতার করতে আসেন, ঐ দুইজন কে তারা চিনেন না। যারা পুলিশ তথ্য দিয়েছে তাদের কখনো দেখেন নাই তারা বা তাদের কাছে কোন মাদক বিক্রি করেন নাই। সেবিনের পরিবারের ভাষ্যমতে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যে তথ্য দিয়েছে ওই দুই মাদক কারবারি। এছাড়াও পুলিশের কাজে বাঁধা প্রদান ও ধস্তাধস্তি এই বিষয়ে জানতে চাইলে আজাদ মিয়া বলেন, এই ঘটনা স্থানীয়রা দেখেছেন এবং ভিডিও ফুটেজ আছে।

সারিয়াকান্দি থানা অফিসার ইনচার্জ রাজেশ কুমার চক্রবর্তী গণমাধ্যম কে জানান, পুলিশ সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়েছে। অভিযানকালে কিছু পাওয়া না গেলেও গ্রেফতারকৃত দুই মাদক কারবারি জানিয়েছেন ঐ ফার্মেসীর মালিকের কাছে থেকে তারা মাদক ক্রয় করেছেন। এর আগেও দুইবার মাদক বিক্রির অপরাধে গ্রেফতার হয়েছিল সেবিন মিয়া। সে খুব সতর্কতার সাথে অতি কৌশলে ঐ এলাকায় পুনরায় মাদক বিক্রি শুরু করেছ। মাদক ব্যবসা চালানোর জন্যই সে তার দোকানের সিসি ক্যামেরা বন্ধ করেছে। অভিযানকালে স্থানীয়দের উস্কে দিয়ে পুলিশের পেশাগত কাজে বাধা প্রদান করেছে এবং লাঞ্চিত করেছে তারা। সাধারণ ভাবে তথ্যের ভিত্তিতে সেবিন কে গ্রেফতার করতে পারে পুলিশ। সাধারণ মানুষ কে ভুল বুঝিয়ে এটার সুযোগ নিয়েছে তারা। এই ঘটনায় পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে।

Comments

comments