আজ: ৩১শে মার্চ, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার, ১৭ই চৈত্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৯ই রমজান, ১৪৪৪ হিজরি, সকাল ৯:১৮
সর্বশেষ সংবাদ
চিত্র বিচিত্র মাইক্রোচিপে পাওয়া গেল পোষা বিড়াল

মাইক্রোচিপে পাওয়া গেল পোষা বিড়াল


পোস্ট করেছেন: অনলাইন ডেক্স | প্রকাশিত হয়েছে: ০৮/০২/২০২৩ , ৫:০৫ অপরাহ্ণ | বিভাগ: চিত্র বিচিত্র


হারিয়ে যাওয়া তিনটি পোষা বিড়ালের একটি ছিল ‘ইরিন’। কুকুরের আক্রমণে জখম হয়েছিল প্রাণীটি। অবশেষে সাত মাস পর প্রযুক্তির সহায়তায় সেটির সন্ধান পাওয়া গেছে। বিড়ালটির শরীরে ছিল মাইক্রোচিপ। ‘পেটভেট’ নামের ট্র্যাকিং সিস্টেম বা নজরদারি ব্যবস্থায় প্রাণীটিকে পাওয়া যায়।

তুরস্কের হুরিয়েত ডেইলি নিউজ জানায়, বিড়ালটি পুষতেন তুরস্কে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের সাবেক কূটনীতিক মার্টিন বেরসেট। তিনি ২০১৯ সালে আঙ্কারায় সুইস দূতাবাসে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। বেরসেট তখন নিজের বাসায় মালিকবিহীন বেশ কিছু প্রাণীকে আশ্রয় দেন।

মার্টিন বেরসেট ২০২২ সালের শুরুর দিকে তুরস্কের কৃষি ও বন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মেনে তাঁর পোষা বিড়ালগুলোর শরীরে মাইক্রোচিপ বসান এবং সেগুলোর নিবন্ধন করেন। পরে মার্চে তিনটি বিড়াল হারিয়ে যায়। গত সেপ্টেম্বরে মেয়াদ শেষে অন্য পাঁচটি বিড়ালসহ সুইজারল্যান্ডে ফিরে যান মার্টিন বেরসেট। এরপর গত অক্টোবরে এলমাদাগ জেলায় কুকুরের আক্রমণে আহত বিড়ালের মাইক্রোচিপটি পশুচিকিত্সকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। তখন নিশ্চিত হওয়া যায়, এটি মার্টিন বেরসেটের হারিয়ে যাওয়া বিড়াল।

খবর পেয়ে বিড়ালটি নিতে তুরস্কে আসেন মার্টিন বেরসেট। তিনি বলেন, ‘মাইক্রোচিপ না থাকলে ইরিনকে খুঁজে পাওয়া যেত না। চমৎকার একটি ব্যবস্থা।’ সুইস এই কূটনীতিক আরও বলেন, তুরস্কে বিড়াল ও কুকুরের সব মালিককে তিনি ধন্যবাদ জানান। নিজের মা ও সহোদরদের দেখতে পেয়ে ইরিন খুব খুশি হবে।

তুরস্কে ২০১৮ সালে প্রাণী সুরক্ষা আইন কার্যকর হয়। এই আইনের ওপর ভিত্তি করে কৃষি ও বন মন্ত্রণালয় পোষ্য বিড়াল ও কুকুরের প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারণের প্রকল্প গ্রহণ করে। এখন পর্যন্ত ১৬ লাখ পোষ্য প্রাণী শনাক্ত ও নিবন্ধিত হয়েছে।

বিধিমালা অনুযায়ী, ছয় মাসের বেশি বয়সী পোষ্য কুকুর ও বিড়ালের মাইক্রোচিপ নম্বর থাকতে হবে। চিপ না থাকলে পোষ্য প্রাণী পশুচিকিত্সা পরিষেবা পাবে না। এসব প্রাণীর মালিককে অর্থদণ্ডও করা হবে।

প্রাণী পালনের অনুমতির জন্য করা আবেদনে প্রাণীর নাম, জাত, লিঙ্গ, গায়ের রং, জন্মদিন, মালিকের দেওয়া নাম, পাসপোর্ট নম্বরসহ মালিকের ঠিকানা উল্লেখ করতে হয়। আর চিপের সাহায্যে কর্তৃপক্ষ এসব পোষ্য শনাক্ত ও সেগুলোর চিকিৎসা গ্রহণের ধরন ও অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারে।

 

Comments

comments