আজ: ২৯শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার, ১৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৮শে শাওয়াল, ১৪৪৩ হিজরি, সকাল ৮:৩৭
সর্বশেষ সংবাদ
জেলা সংবাদ অপরিকল্পিত কালভার্ট নির্মান ও পৌর বর্জ্যে অস্তিত্ব সংকটে বুড়ি নদীর খরস্রোতা মাঝিকাড়া খাল

অপরিকল্পিত কালভার্ট নির্মান ও পৌর বর্জ্যে অস্তিত্ব সংকটে বুড়ি নদীর খরস্রোতা মাঝিকাড়া খাল


পোস্ট করেছেন: মতপ্রকাশ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ২৫/০৪/২০২২ , ৯:৪৪ অপরাহ্ণ | বিভাগ: জেলা সংবাদ


বিপ্লব নিয়োগী তন্ময়: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বুড়ি নদীর এক সময়ের খরস্রোতা মাঝিকাড়া খালে অপরিকল্পিত দুটি কালভার্ট নির্মান ও পৌর সভার বর্জ ফেলার কারনে দিনকে দিন বিলিন হওয়ার পথে। কিন্তু এসব যেন দেখার কেউ নেই।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এক সময়ের মাঝিদের নৌকা রাখার জন্য যে জায়গাটির নাম ডাক ছিলো বুড়ি নদীর খরস্রোতা খালটি, সেই খালটি এখন পৌরসভার ময়লায়-অর্বজনা ও দুটি কালর্ভাটের কারনে বিলিন হয়ে যাচ্ছে। দেখা যায়, মাঝিকাড়া খালের উপর একটি সচল সেতু থাকার পরেও সড়ক ও জনপদ বিভাগ সেই সেতুটি ভেঙ্গে একটি বক্স কালর্ভাট তৈরি করে। যার
কারনে খালটির পানি প্রবাহের পথ অনেক সুরু হয়ে যায়। অপর দিকে মাঝিকাড়া খালটির আরেক দিকে জনসাধারনের চলাচলের কথা চিন্তা করে নবীনগর পৌরসভা আরেকটি কালর্ভাট তৈরি করেন। যে কালর্ভাটটি সড়ক ও জনপদ বিভাগের তৈরি করা কার্ভাটের চেয়েও অনেক ছোট। এই দুটি কালর্ভাট নির্মানের ফলে খালের দুই পাড়ই অনেক সুরু হয়ে অনেকের দখলে চলে যাচ্ছে। এছাড়াও নির্মিত
কালভার্ট দুটির প্রবেশ মুখে নবীনগর পৌরসভার ফেলা ময়লায় খালটির পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে আছে।

স্থানী এলাকাবাসিরা জানান, বুড়ি নদীর খরস্রোতা মাঝিকাড়া খালে ৭-৮ বছর আগেও দেশের দূরদুরান্ত গ্রাম থেকে শতশত নৌকা আসতো। অনেক স্রোত ছিলো খালটিতে। নবীনগর পৌরসভার ফেলা
ময়লা-আর্বজনা ও অপরিকল্পিত দুটি কালভার্ট নির্মানের কারনে দিনকে দিন খরস্রোতা খালটি বিলিন হয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও কালর্ভাট নিমানের সময় পূর্বের সেতুর ভাঙ্গা পিলার গুলি গত কয়েক বছর যাবত খালের মাঝখানেই পরে রয়েছে। এতে করে খালটিতে পানি প্রবাহ সম্পুন্ন বন্ধ রয়েছে। গত কয়েক বছর যাবত খালটি দিয়ে পানি প্রবাহিত না হওয়ায় এলাকাটির অনেক ফসলি জমি পতিত থাকতে দেখা যাচ্ছে। এই খালটি সচল হলে এলাকাবাসী অনেক উপকৃত হবে।

এবিষয়ে স্থানীয় মেয়র এড. শিব শংকর দাস বলেন, সেতু ভেঙ্গে কালর্ভাট করার কারনে এখানে পানি প্রবাহ বন্ধ হয়েছে। আমি খালের ভেতরের দিকে কলেজ পাড়া ও মাঝিকাড়া গ্রামের মানুষদের চলাচলের কথা চিন্তা করে একটি কালর্ভাট করে দিয়েছি। এছাড়াও খালটি পুরুরাদ্ধারে উদ্ধারে আমি কাজ করবো।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম বলেন, নদী-খাল দখল-দুষণ দন্ডনীয় অপরাধ। নবীনগরের খাল দখল ও দুষণের বিরুদ্ধে আমার কাছে কোন লিখিত আসেনি। আমরা এই বিষয়ে খোঁজ নিবো।

Comments

comments

Close