আজ: ২১শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার, ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২০শে শাওয়াল, ১৪৪৩ হিজরি, রাত ২:৩৮
সর্বশেষ সংবাদ
আন্তর্জাতিক ইউরোপকে কোনো অনুরোধ নয়-নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে ঃরাশিয়া

ইউরোপকে কোনো অনুরোধ নয়-নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে ঃরাশিয়া


পোস্ট করেছেন: মতপ্রকাশ অনলাইন | প্রকাশিত হয়েছে: ০২/০৪/২০২২ , ৭:৪৩ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: আন্তর্জাতিক


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : দীর্ঘ এক মাসেরও বেশি সময় যাবৎ ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের নামে আগ্রাসন চালিয়ে আসছে রাশিয়া। পূর্ব ইউরোপের দেশটিতে রুশ হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)-সহ পশ্চিমা বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সংস্থা থেকে একের পর এক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে।এসব বিধিনিষেধে রাশিয়ার অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তা প্রত্যাহারে ইউরোপের কাছে আবেদনই জানাবে না মস্কো। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে এমন তথ্যই জানানো হয়েছে।

 

শুক্রবার (১ এপ্রিল) রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্রের বরাতে ব্রিটিশ মিডিয়া বিবিসি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে ইইউয়ের কাছে দাবি জানাবে না মস্কো। যদিও পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞা আরোপের পদক্ষেপকে ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করেছিল প্রেসিডেন্ট পুতিনের সরকারি বাসভবন ও কার্যালয় ক্রেমলিন।দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা আরআইএ নিউজ এজেন্সিকে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নিকোলাই কোব্রিনেতস বলেছিলেন, নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়ে আমরা কোনো ধরনের আবেদন করব না। আমাদের নিরাপত্তার একটি সীমারেখা আছে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিশ্বের কেন্দ্র নয়।এছাড়া রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় ওই বার্তা সংস্থায় দাবি করা হয়, বিধিনিষেধ মোকাবিলায় ১০০টি উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে রুশ সরকারের। এমনকি রাশিয়ান মুদ্রা রুবলে অর্থ পরিশোধ না করলে বাইরের রাষ্ট্রগুলোতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করার বিষয়ে বৃহস্পতিবার (৩১ মার্চ) হুমকিও দিয়েছে মস্কো।এ দিকে বিবিসি নিউজ বলছে, মস্কোর বিরুদ্ধে ইইউর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা বিনা জবাবে ছেড়ে দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে রাশিয়া। শুক্রবার রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র ওই কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে আরআইএ নিউজ এজেন্সি বলেছে, মস্কোর সাথে সংঘর্ষ ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্বার্থের জন্য ভালো হবে না।রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নিকোলাই কোব্রিনেতস মনে করেন, ব্রাসেলসের দায়িত্বজ্ঞানহীন নিষেধাজ্ঞা এরই মধ্যে সাধারণ ইউরোপিয়ানদের দৈনন্দিন জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে।

Comments

comments

Close