আজ: ২২শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার, ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২১শে শাওয়াল, ১৪৪৩ হিজরি, রাত ১২:০৩
সর্বশেষ সংবাদ
জেলা সংবাদ রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বাড়ি ভাংচুর-লুটপাটের অভিযোগ

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বাড়ি ভাংচুর-লুটপাটের অভিযোগ


পোস্ট করেছেন: মতপ্রকাশ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ১১/০৩/২০২২ , ৯:৩২ অপরাহ্ণ | বিভাগ: জেলা সংবাদ


হাবিল উদ্দিন: রাজশাহীর  গোদাগাড়ী উপজেলার মাটিকাটা ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের জালাল উদ্দীনের বসতবাড়ীতে ভাংচুর চালিয়ে লুটপাট ও অগ্নি সংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। এরপর থেকে জালাল উদ্দিন পরিবারে সকল সদস্য নিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতরভাবে জীবন যাপন করছেন। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়,  গত ৬ই মার্চ সকাল ১০টার দিকে গাহানু সরদারের ছেলে মোহন লাল ও জহুরলাল চৌদুয়া গ্রামের হাবিবুর রহমান এর নেতৃত্বে এক দল স্থানীয় ও বহিরাগত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী নিয়ে জালাল উদ্দীন ও তার দুই সন্তানের বাড়ীতে এই হামলা চালায়।

শুধু তাই নয় সন্ত্রাসীরা বাড়ির বউদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে বলে জানান জালাল উদ্দীন। সন্ত্রাসীদের তান্ডবে প্রানের ভয়ে বাড়ি ছেড়ে তারা পালিয়ে গেলে হাবিবুর রহমান তার সন্ত্রাসী বাহিনীদের দিয়ে ককটেল ফাটিয়ে এলাকায় ভিতীর সৃষ্টি করে বাড়ি ভাংচুর করে। সেইসাথে ১০টি গরু ও ২০টি ছাগল, যার আনুমানিক মুল্য ৯ লক্ষ টাকা এবং বাড়ি ভেঙ্গে ঘরে থাকা চাল, ধান ও সরিষা, যার আনুমানিক মুল্য এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকার পণ্য নিয়ে তারা চলে যায় বলে জানান জালাল। সেইসাথে বাড়ি করার প্রায় ২০ হাজার ইটও হাবিবুর রহমান নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

জালাল বলেন, তিনি প্রায় ৪০ বছর আগে গাহানু সরদারের নিকট থেকে এই সম্পত্তি ক্রয় সুত্রে ১২ হাজার টাকায় হাত বায়নায় চুক্তিবদ্ধ হন। তখন থেকে জালাল উদ্দিন ও তার ছেলে মেয়েদের নিয়ে এই সম্পত্তিতে বসবাস করছিলেন। গাহানু সরদারের মৃত্যুর পর মোহনলাল ও জহরলাল এই সম্পত্তি থেকে  সন্ত্রাসীদের দিয়ে তাদের উচ্ছেদ করেন এবং নিজের দখলে নেন । এ বিষয়ে তিনি গোদাগাড়ী থানায় মামলা করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেন। গত ৮ মার্চ জালাল উদ্দীন বাদী হয়ে ১০ জনকে আসামি করে রাজশাহী আইন শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন আদালতে মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গোদাগাড়ী মডেল থানার (ভারপ্রাপ্ত) অফিসার ইনচার্জ কামরুল ইসলাম বলেন,জালাল উদ্দিন অভিযোগ নিয়ে এসেছিলেন। জালালের ভাষ্যমতে থানার এক অফিসারকে বিষয়টি দিয়ে তদন্ত করে গরু, ছাগলসহ অন্যান্য পণ্যসামগ্রী লুট ও বাড়ি ভাঙ্গচুরের সত্যতা পাওয়া যায়নি। এই ঘটনা জমি সংক্রান্ত হওয়ায় আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেন তিনি। আদালত হুকুম জারী করলে তিনি এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

Comments

comments

Close