আজ: ২২শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার, ৮ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৯শে জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি, সকাল ৭:৫২
সর্বশেষ সংবাদ
জেলা সংবাদ জামানত হারাচ্ছেন মান্দার ৪৪ চেয়ারম্যান প্রার্থী

জামানত হারাচ্ছেন মান্দার ৪৪ চেয়ারম্যান প্রার্থী


পোস্ট করেছেন: মতপ্রকাশ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ০১/১২/২০২১ , ৮:১০ অপরাহ্ণ | বিভাগ: জেলা সংবাদ


নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর মান্দায় ৪৪জন চেয়ারম্যান প্রার্থী জামানত হারাচ্ছেন। উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত একজনসহ ৪৪ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী জামানত হারাচ্ছেন। নির্বাচনের নিয়ম অনুযায়ী, সব ভোটকেন্দ্রে প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পাওয়ায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ নভেম্বর তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে মান্দার ১৪ ইউপিতে ৯৩ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে ৪৪ জন প্রার্থী প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগও পাননি। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত একজন, জাতীয় পার্টির পাঁচজন, সিপিবির তিনজন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত একজন ও ৩৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন।
নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, উপজেলার মৈনম ইউপিতে ১১ চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে আটজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীতএক প্রার্থীও রয়েছেন। এখানে সব কেন্দ্র মিলিয়ে মোট ১৪ হাজার ৭৬৬ ভোট পড়েছে। জামানত বাঁচাতে হলে একজন প্রার্থীকে সর্বনিম্ন ১ হাজার ৮৪৫ ভোট পেতে হবে। সেই হিসাবে ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে আটজনই জামানত হারিয়েছেন।
এখানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সামন্ত কুমার সরকার পেয়েছেন ৫৩৬ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী সেকেন্দার আলী পেয়েছেন ২৪ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী শাহনেওয়াজ প্রামাণিক ৩৪৮, স্বতন্ত্র প্রার্থী সেলিনা পারভীনের ৮, আবুল হোসেন ৭৬, ইউছব আলী মীর ৯৭, ফারুক হোসেন ১৯ ও সাহারুল ইসলাম ৩৬৩টি ভোট পেয়েছেন।
এ ছাড়া ভারশোঁ ইউপিতে চারজন, ভালাইনে তিনজন, পরানপুরে একজন, মান্দা সদর ইউপিতে পাঁচজন, গণেশপুরে তিনজন, প্রসাদপুরে দুজন, কুসুম্বায় একজন, তেঁতুলিয়ায় দুজন, নুরুল্যাবাদে দুজন, কালিকাপুরে একজন, কাঁশোপাড়ায় দুজন, কশবে সাতজন, বিষ্ণুপুরে তিনজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবদুর রশিদ বলেন, ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন জমার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে সরকারি কোষাগারে পাঁচ হাজার টাকা করে জামানত দিতে হয়। সেই জামানতের টাকা ফেরত পেতে হলে ওই ইউনিয়নের ভোটকেন্দ্র গুলোতে মোট প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট পেতে হয়। যেসব প্রার্থী এই পরিমাণ ভোট পাবেন না, তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার নিয়ম আছে। ওই ৪৪ প্রার্থী তাঁদের ইউনিয়নে প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পাওয়ায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।

Comments

comments

Close