আজ: ৬ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার, ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২রা জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি, রাত ৮:২৭
সর্বশেষ সংবাদ
বিনোদন রুনা লায়লার জন্মদিন আজ

রুনা লায়লার জন্মদিন আজ


পোস্ট করেছেন: মতপ্রকাশ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ১৭/১১/২০২১ , ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: বিনোদন


উপমহাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী, সুরকার রুনা লায়লার আজ ৬৯তম জন্মদিন। ১৯৫২ সালের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন কিংবদন্তি এ সঙ্গীতশিল্পী। দিনটিতে তিনি পরিবারের সঙ্গেই আনন্দের মধ্যদিয়ে সময় কাটাবেন বলে জানিয়েছেন। প্রায় দুই বছর করোনায় অনেকটাই ঘরবন্দী সময় কাটানোর পর ১৯ নবেম্বর রুনা লায়লা ল-নে যাচ্ছেন মেয়ে তানি ও দুই নাতির সঙ্গে সময় কাটাতে। যাবার আগ মুহূর্তে তাই ভীষণ উচ্ছ্বসিত তিনি। রুনা লায়লা বলেন, জন্মদিন আসলেই ছোটবেলার জন্মদিনের কথা খুব মনে পড়ে। বাবা মায়ের কথা খুব মনে পড়ে। এখন তো আসলে জন্মদিনকে ঘিরে বিশেষ তেমন কিছু করাও হয়ে উঠে না। ঘরের মধ্যেই দিনটিকে বিশেষায়িত করার চেষ্টা থাকে। পরিবারের সঙ্গেই সময় কেটে যায়। আল্লাহ’র কাছে লাখ লাখ শুকরিয়া যে এক জীবনে আমি অনেক পেয়েছি, আলহামদুলিল্লাহ। সত্যিই আমার আর চাওয়ার কিছু নেই। যে যশ, যে নাম, যে খ্যাতি হয়েছে আমার, তাতেই আমি পরিপূর্ণ। এখন শুধু কিছু সুর সৃষ্টি করে যেতে চাই, নতুনদের কণ্ঠে সেসব সুর তুলে দিয়ে যেতে চাই। আল্লাহ যেন আমাকে সুস্থ রাখেন, আমার পরিবারের সবাইকে ভালো রাখেন, এই দোয়া চাই।

রুনা লায়লা ১৭টি ভাষায় ১০ হাজারেরও বেশি গান গেয়েছেন। পেয়েছেন স্বাধীনতা পদকসহ বহুবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। ৫৭ বছরের বর্ণাঢ্য সঙ্গীত ক্যারিয়ার শুরু করেন ১২ বছরের এক কিশোরের জন্য গান গেয়ে। ১৯৬৪ সালে বাবা সৈয়দ মোহাম্মদ এমদাদ আলীর অনুমতি নিয়ে সাড়ে ১১ বছর বয়সে পাকিস্তানের ‘জুগনু’ সিনেমায় প্রথম গান করেন। ‘গুড়িয়াসি মুন্নী মেরি ভাইয়া কি পেয়ারি’ গানটি কণ্ঠে তোলার জন্য একটানা দুই মাস প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন তিনি। নব্বইয়ের দশকে মুম্বাইয়ে পাকিস্তানী সুরকার নিসার বাজমির সুরে একদিনে ১০টি করে ৩ দিনে ৩০টি গানে কণ্ঠ দিয়ে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসেও নাম লিখিয়েছিলেন তিনি। রুনা লায়লা’র বিশেষ সাক্ষাতকার আজ সকাল ৭টায় মাছরাঙ্গা টিভিতে প্রচার হবে ‘রাঙ্গা সকাল’ অনুষ্ঠানে। রুনা লায়লা’র নিজের গাওয়া সর্বশেষ একক মৌলিক গান ছিল ‘ফেরাতে পারিনি’।

এটি গতবছর ধ্রুব মিউজিক স্টেশনে প্রকাশিত হয়েছিল। গানটি লিখেছেন কবির বকুল, সুর করেছেন রুনা লায়লা নিজেই। সঙ্গীতায়োজন করেছিলেন রাজা ক্যাশেফ। এই প্রজন্মের শিল্পীদের মধ্যে কনা, হৈমন্তী, ইউসুফ, ইমরান, লুইপা, কোনাল, ঝিলিকের কথা তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন। তারা নিয়মিত ভালো করার চেষ্টা করছে বলে তিহনি তার অভিমত প্রকাশ করেন।

 

Comments

comments

Close