আজ: ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার, ৭ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৫ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি, বিকাল ৫:০০
সর্বশেষ সংবাদ
শিক্ষাঙ্গন অনলাইনে বিকল্প পদ্ধতিতে পরীক্ষা নিয়ে নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের ভাবনা

অনলাইনে বিকল্প পদ্ধতিতে পরীক্ষা নিয়ে নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের ভাবনা


পোস্ট করেছেন: মতপ্রকাশ অনলাইন | প্রকাশিত হয়েছে: ০১/০৯/২০২১ , ৮:৪৫ অপরাহ্ণ | বিভাগ: শিক্ষাঙ্গন


করোনার প্রকোপে বন্ধ দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ। বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও অনলাইনে বিকল্প পদ্ধতিতে পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। ইতোমধ্যে সফলতার সাথে সম্পন্ন করেছে পরীক্ষা। নতুন এই পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছিল আগ্রহ, উৎসাহ, উৎকন্ঠা ও নানা রকম ভীতি। তারই কিছুটা জানার চেষ্টা করেছেন নোবিপ্রবি শিক্ষার্থী ও আমাদের নোবিপ্রবি প্রতিনিধি ফজলে এলাহী ফুয়াদ।
নোবিপ্রবি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ফাহাদ হোসেন বলেন, তথ্য প্রযুক্তির এ যুগে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অনলাইন পরীক্ষা প্রচলিত হলেও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অনলাইন পরীক্ষা একেবারেই নতুন। প্রথম প্রথম অনলাইন পরীক্ষা দেওয়ার সময় মনের ভিতরে ভয় কাজ করলেও কয়েকটা  পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পরর্বতীতে এ ভয় কেটে গেছে। অনলাইন পরীক্ষা কার্যক্রমের মধ্যে  সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জিং বিষয় আমার কাছে মনে হয়েছিল  ধীরগতির ইন্টারনেট ব্যবস্থা। ধীরগতির ইন্টারনেটের কারণে অনেকসময়ই পরীক্ষার থেকে বিচ্যুতি হতে হয়। যা একজন পরীক্ষার্থী হিসেবে মানসিক চাপের সৃষ্টি করে। যার নেগেটিভ ফলাফল পড়তে পারে আমাদের পরীক্ষার ফলাফলের ওপর।
দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মাহাদী হাসান বলেন, প্রথমত আমি অনলাইন পরীক্ষার পক্ষে ছিলাম না কারণ এখানে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীদের সঠিক বিচার হয় না। কিন্তু আমাদের আইএসএলএম ডিপার্টমেন্ট এর শিক্ষকদের সঠিক পরিচালনায় সেটা অনেকটাই সুষ্ঠভাবে হয়েছে। প্রথমে অনেকটাই চিন্তিত ছিলাম কিন্তু পরে আলহামদুলিল্লাহ ভালভাবে পরিক্ষা গুলো দিতে পেরেছি। কিন্তু অনেকেই দেখা যায় পরীক্ষার নির্দিষ্ট সময় এর বাইরেও লিখে এবং দেরি করে জমা দেয়। সুতরাং এক্ষেত্রে আমি মনে করি প্রশাসনকে কঠোর অথবা বিকল্প পন্থা অবলম্বন করা উচিত।
নোবিপ্রবি তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তাহমিনা আক্তার দিপু বলেন, অনলাইন পরীক্ষা বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। আমার মতে অনলাইনে পরীক্ষা ও পাঠদান চালিয়ে যাওয়া সময় উপযোগী সিদ্ধান্ত। কেননা বর্তমানের মহামারী পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের সেশনজট কমাতে এটা সাহায্য করবে। এই পদ্ধতিতে ঘরে বসে বা ভালো নেটওয়ার্কের জায়গা বসে খুব সহজে পরীক্ষা দিতে পেরেছি।  তবে সবচেয়ে বাজে অভিজ্ঞতা হচ্ছে, আমাদের পরীক্ষার সময় সার্ভারে সমস্যা হয়েছিলো যার কারণে সামান্য ব্যাঘাত ঘটেছিল। তবুও বলবো, বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে এবং সঠিক মূল্যায়নের জন্য অনলাইন পদ্ধতিতে ক্লাস এবং পরীক্ষা অনেক প্রয়োজনীয়।
চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মালিহা মেহজাবিন পাপড়ী বলেন, আমাদের যথা সময়ে লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়েছিলো, তবে এক ঘন্টা পনেরো মিনিট আসলে উত্তর করার জন্য একটু কষ্টকর ছিলো। দেখা গেলো- আমি অনেক লিখতে পারছি,কিন্তু সময় স্বল্পতা। লিখিত পরীক্ষায় তেমন কোনো সমস্যা হয়নি কারো, তবে দীর্ঘ সময় ভাইবার জন্য অপেক্ষা একটু বিড়ম্বনা তৈরী করেছে। এ ছাড়া নেটওয়ার্ক সমস্যায় বিভিন্ন সময় বিড়ম্বনার সৃষ্টি হয়েছে।

Comments

comments

Close
%d bloggers like this: