আজ: ১৮ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার, ২রা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১২ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি, বিকাল ৪:৩৫
সর্বশেষ সংবাদ
জেলা সংবাদ, রংপুর বিভাগ রংপুর সহ সারাদেশে মানহীন আইসক্রিমের জমজমাট ব্যবসা

রংপুর সহ সারাদেশে মানহীন আইসক্রিমের জমজমাট ব্যবসা


পোস্ট করেছেন: মতপ্রকাশ অনলাইন | প্রকাশিত হয়েছে: ০৩/০৪/২০২১ , ২:৩৩ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: জেলা সংবাদ,রংপুর বিভাগ


এসআর লিখু : গ্রীষ্ম মৌসুমকে সামনে রেখে একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী বিভিন্ন গোপন স্থানে কোন প্রকার স্বচ্ছতা ছাড়াই   ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ যেমন মিল্ক ফ্লেভার, কোকোনাট ফ্লেবার ,  অরেঞ্জ ফ্লেভার , ম্যাংগো ফ্লেভার সহ নানাবিধ মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর স্যাকারিন সালটু কনডেন্স মিল্ক এবং খাবার অনুপযুক্ত রং ব্যবহার করে চকবার আইসক্রিম উৎপাদন করছে।  আইসক্রিমের উপরিভাগে চকলেট কোটিং এ চকো ক্রিম এর  পরিবর্তে চকলেট কালারের সাথে পামঅয়েলের মিশ্রণ ঘটাচ্ছে। মুলত আইসক্রিমের প্রধান তিনটি উপাদান পানি,চিনি ও দুধ । শুধু পানি ছাড়া কোনো কিছুর বালাই নেই এই আইসক্রিমের মধ্যে।  আবার সেই  পানিও পানের উপযোগী নয়, এই সমস্ত প্রতিষ্ঠানে কোনো সাইনবোর্ড নেই ।

তারা বিভিন্ন নামিদামি প্রতিষ্ঠানের প্যাকেটে উক্ত আইসক্রিমগুলো বাজারজাত করছে। তাতে নেই কোনো  এক্সপায়ার ডেট ও উৎপাদন তারিখ। নেই MRP।

স্থানীয় ক্যাব, সিভিল সার্জনের কার্যালয়, বিএসটিআই সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তর এর মতে, এই সমস্ত নিম্ন মানের আইসক্রিম এর প্রাথমিক ভোক্তা ছোট ছোট শিশুরা ।  যেহেতু তাদের শারীরিক কাঠামো দুর্বল থাকে এই ধরনের নিম্নমানের আইসক্রিমে কিডনিসহ বৃহদান্ত্রের মারাত্মক ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। অল্প কিছুদিনের ব্যবধানে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও রংপুর জেলা ক্যাব এর যৌথ বাজার অভিযানে বেশ কয়েকটি নিম্নমানের আইসক্রিম ফ্যাক্টরিতে আর্থিক জরিমানা করা হয়। কিন্তু নিয়মিত মনিটরিং না করার কারণে অসাধু ব্যবসায়ীরা দুঃসাহসী হয়ে উঠছে।

এই বিষয়ে রংপুর জেলার ক্যাব এর সাধারণ সম্পাদক আহ্সান উল হক তুহিন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি এর সত্যতা স্বীকার করেন। তিনি আরো বলেন, এই সমস্ত প্রতিষ্ঠানে সেনিটারি লাইসেন্স, বিএসটিআই লাইসেন্স এবং পরিবেশ লাইসেন্স সহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতি রয়েছে। তিনি আরো বলেন উক্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শ্রমিকদের স্বাস্থ্য বিধি মানার কোন বালাই নেই, ভীষণ অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে আইসক্রিম  গুলো তৈরি হচ্ছে । তিনি ভোক্তা সাধারণকে এই সমস্ত আইসক্রিম পরিহার করার জন্য বিনীত অনুরোধ জ্ঞাপন এবং এই করোনাকালে আইসক্রিম কম খাওয়ার পরামর্শ দেন।স্থানীয় সচেতন জনসাধারণের মতে এখনই দৃষ্টি না দিলে এই সমস্ত প্রতিষ্ঠানে উৎপাদিত নিম্নমানের আইসক্রিম শিশুদের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

Comments

comments

Close
%d bloggers like this: