আজ: ২৫শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার, ১০ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৫ই জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি, সকাল ১১:৩৭
সর্বশেষ সংবাদ
ধর্ম কথন মহানবী তার স্ত্রী আয়েশাকে যেভাবে দোয়া করতে বলেছিলেন

মহানবী তার স্ত্রী আয়েশাকে যেভাবে দোয়া করতে বলেছিলেন


পোস্ট করেছেন: মতপ্রকাশ অনলাইন | প্রকাশিত হয়েছে: ২১/০৩/২০২১ , ১:৩৪ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: ধর্ম কথন


আল্লাহপাকের কাছে যে চায়। মহান আল্লাহ তার প্রতি খুশি হন। আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাসের সঙ্গে দোয়া করা। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যখন আমার বান্দা আপনার কাছে আমার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে, নিশ্চয় আমি তাদের নিকটবর্তী। আমি প্রার্থনাকারীর প্রার্থনা কবুল করি, যখন সে আমার কাছে প্রার্থনা করে। সুতরাং তারাও আমার ডাকে সাড়া দিক এবং আমার ওপর বিশ্বাস স্থাপন করুক। এতে তারা সঠিক পথে চলতে পারবে।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১৮৬)

আল্লাহর প্রশংসাসূচক গুণবাচক নামের সঙ্গে দোয়া করা। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহর রয়েছে সুন্দর সুন্দর নাম। সুতরাং তোমরা তাঁকে সে নামেই ডাকবে।’ (সুরা : আরাফ, আয়াত : ১৮০)

রাসুলুল্লাহ (সা.) আয়েশা (রা.)-কে এভাবে দোয়া করতে বলেন, ‘হে আল্লাহ! নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল, আপনি ক্ষমা করতে পছন্দ করেন। সুতরাং আমাকে ক্ষমা করুন।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ১১৯৫)। এখানে আল্লাহর ‘ক্ষমাশীল’ গুণ উল্লেখ করে দোয়া করতে বলা হয়েছে।

দোয়ার আগে আল্লাহর প্রতি ‘হামদ’ (প্রশংসা) ও রাসুলের প্রতি ‘সালাত’ (দরুদ) পাঠ করা। ফাজালা ইবনে উবাইদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা রাসুলুল্লাহ (সা.) বসে ছিলেন। এমন সময় একজন লোক এলো এবং নামাজ আদায় করল। এরপর সে বলল, হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করে দিন, আমার প্রতি দয়া করুন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘হে নামাজি! তুমি তাড়াহুড়া করলে। নামাজ শেষে যখন তুমি বসবে, তখন তুমি আল্লাহর উপযুক্ত হামদ এবং আমার প্রতি দরুদ পাঠ করবে। অতঃপর তুমি দোয়া করবে।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ৩৪৭৬)

কেবলামুখী হয়ে হাত উঠিয়ে দোয়া করা। ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) বদরের ময়দানে আল্লাহর নবী (সা.)-এর দোয়ার বর্ণনা দিয়ে বলেন, ‘অতঃপর তিনি কেবলামুখী হয়ে হাত উঠিয়ে স্বীয় প্রভুর কাছে বিনীত হয়ে বললেন …।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১৭৬৩)

Comments

comments

Close
%d bloggers like this: