আজ: ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার, ১৫ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৬ই রজব, ১৪৪২ হিজরি, রাত ৩:২৭
সর্বশেষ সংবাদ
আন্তর্জাতিক ফাইজারের টিকায় তৈরি হচ্ছে হার্ড ইমিউনিটি : ইসরায়েল

ফাইজারের টিকায় তৈরি হচ্ছে হার্ড ইমিউনিটি : ইসরায়েল


পোস্ট করেছেন: মতপ্রকাশ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ২৩/০২/২০২১ , ১০:৪০ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: আন্তর্জাতিক


মার্কিন ফাইজার ও জার্মানির বায়োএনটেকের উদ্ভাবিত করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যেই ইসরায়েল দাবি করেছে, ফাইজারের ভ্যাকসিন প্রয়োগের পর থেকে দেশটিতে করোনার সংক্রমণ কমে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, জনগণের বড় একটি অংশের মধ্যে রোগ প্রতিরোধ শক্তি গড়ে উঠেছে। হার্ড ইমিউনিটির পথে যাচ্ছে ইসরায়েল। নতুন এক প্রতিবেদনে এমন দাবির কথা তুলে ধরেছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
নরওয়েতে ফাইজারের ভ্যাকসিন নেওয়ার ২৩ জন বয়স্ক মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় হইচই পড়ে যায়। ভ্যাকসিনের সুরক্ষা কতটা সে নিয়ে প্রশ্ন তোলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও। এমন পরিস্থিতিতে ইসরায়েল ফাইজারের টিকা নিয়ে এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করল।

গত বছর ২০ ডিসেম্বর থেকে মার্কিন ফার্মা জায়ান্ট ফাইজার ও তাদের সহযোগী জার্মান রিসার্চ সেন্টার বায়োএনটেক গণটিকাকরণ শুরু করে ইসারায়েলে।
দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দাবি, ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত ফাইজারের টিকার ডোজ প্রায় ৯৯ শতাংশ কার্যকর ছিল। সংক্রমণে মৃত্যুহার কম। কোনো জটিল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।
ব্রিটেনে প্রথম ফাইজারের ভ্যাকসিনের প্রয়োগ শুরু হয়। পরে যুক্তরাষ্ট্র। আর এখন বিশ্বের অনেক দেশেই টিকা দিচ্ছে ফাইজার-বায়োএনটেক। ব্রিটেন প্রথম জানিয়েছিল, ফাইজারের টিকার ডোজে তীব্র অ্যালার্জি দেখা যাচ্ছে কয়েকজনের শরীরে। টিকার ডোজে সে দেশের দুই স্বাস্থ্যকর্মীর শরীরে তীব্র পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়ার পরেই এই কথা জানানো হয়।
ইসরায়েল দাবি করেছে, সার্স-কভ-২ ভাইরাসের যে হারে মিউটেশন বা জিনগত পরিবর্তন শুরু হয়েছিল, সেটা এখন কমেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। গবেষকের দাবি, এখনও অবধি একটা ক্লাস্টারের মধ্যে করোনার অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। অর্থাৎ ওই গোষ্ঠীর মানুষদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি গড়ে উঠছে।
তাদের মতে যে এলাকাগুলোতে করোনা আক্রান্তদের রক্তে অ্যান্টিবডি মিলেছে সেখানে ধীরে ধীরে সংক্রমণ বৃদ্ধির হার কমবে। তার কারণ, কোনও এলাকার মোট জনসংখ্যার একটা অংশের মধ্যে যদি রোগ প্রতিরোধ শক্তি গড়ে উঠতে শুরু করে তাহলে বাকিরাও অনেকটাই সুরক্ষিত হয়ে যান। কারণ ভাইরাস আর বেশি মানুষের মধ্যে সংক্রামিত হতে পারে না। একটা পর্যায়ের পরে গিয়ে ভাইরাল স্ট্রেন দুর্বল হতে থাকে। নির্মূল না হলেও নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। সংক্রমণ বৃদ্ধির হার কমে। এইভাবেই গড়ে ওঠে হার্ড ইমিউনিটি।

Comments

comments

Close
%d bloggers like this: