আজ: ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার, ১১ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, ১৪ই শাবান, ১৪৪৫ হিজরি, বিকাল ৪:১৯
সর্বশেষ সংবাদ
আন্তর্জাতিক ইউরোপীয় ৩ কূটনীতিককে বহিষ্কার করল রাশিয়া

ইউরোপীয় ৩ কূটনীতিককে বহিষ্কার করল রাশিয়া


পোস্ট করেছেন: অনলাইন ডেক্স | প্রকাশিত হয়েছে: ০৬/০২/২০২১ , ১০:০৮ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: আন্তর্জাতিক


রাশিয়ার অন্যতম বিরোধী নেতা ও প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কট্টর সমালোচক অ্যালেক্সেই নাভালনিকে কারাদণ্ড দেয়ার প্রতিবাদে অংশ নেয়ায় দেশটিতে অবস্থানরত জার্মানি, সুইডেন ও পোল্যান্ডের কূটনীতিকদের বহিষ্কার করা হয়েছে।
শুক্রবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

মস্কোতে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গে লাভরভের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি-বিষয়ক প্রধান জোসেফ বোরেল বৈঠক করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এ ঘোষণা আসে।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে ওই তিন কূটনীতিক ২৩ জানুয়ারি ‘অবৈধ বিক্ষোভে’ অংশ নিয়েছিলেন।
এই বহিষ্কারাদেশের নিন্দা জানিয়েছে জার্মানি, সুইডেন ও পোল্যান্ড। নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নও। জার্মানি বহিষ্কারের বিষয়টিকে অযথাযথ বলে উল্লেখ করেছে। পাশাপাশি তারা জানিয়েছে, রাশিয়া যদি এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা না করে তা হলে তারাও এটার জবাব দেবে।
এদিকে সুইডেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রাশিয়ার এমন দাবি অস্বীকার করে জানিয়েছে, তাদের কূটনীতিক এ ধরনের কোনো বিক্ষোভে অংশ নেননি।
৩ ফেব্রুয়ারি নাভালনিকে সাড়ে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন মস্কোর একটি আদালত। ২০১৪ সালের জালিয়াতির একটি মামলায় স্থগিত সাজার শর্ত লঙ্ঘনের দায়ে নাভালনিকে এ কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
নাভালনির সাজার রায় ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক বিক্ষোভের ডাক দেন তার সমর্থকেরা। তার সমর্থনে রাশিয়াজুড়ে হাজারো মানুষ বিক্ষোভ করেন। এ ঘটনায় শুধু মস্কোতেই সাড়ে ৮০০ বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করে রাশিয়া পুলিশ।
উল্লেখ্য, গত ১৭ জানুয়ারি জার্মানির বার্লিন থেকে চিকিৎসা শেষে মস্কোয় ফেরেন নাভালনি। বিমানবন্দরে নামামাত্রই তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাকে ৩০ দিনের আটকাদেশ দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। সেই থেকে তিনি কারাগারেই আছেন।
গত বছরের আগস্টে রাশিয়ায় বিষ প্রয়োগের শিকার হয়ে জার্মানির বার্লিনে ৫ মাস চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরেন নাভালনি।

Comments

comments