আজ: ১২ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার, ২৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২রা জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি, রাত ৮:৫৮
সর্বশেষ সংবাদ
জেলা সংবাদ দালাল মুক্ত হয়নি চরফ্যাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

দালাল মুক্ত হয়নি চরফ্যাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স


পোস্ট করেছেন: অনলাইন ডেক্স | প্রকাশিত হয়েছে: ১৯/১১/২০২০ , ৪:৪২ অপরাহ্ণ | বিভাগ: জেলা সংবাদ


প্রশাষনের একাধিক চেষ্টার পরও এখনো দালাল মুক্ত হয়নি চরফ্যাসন হাসপাতাল। রোগী ধরার এসব দালাল হাসপাতালের ভেতর বাহিরসহ রোগী সেবা দেয়ার চিত্রও দেখা যায় সচরাচর। সরকারি হাসপাতালে র্কমরত ওয়ার্ড বয় ও জরুরি বিভাগের কয়েকজন কর্মচারী দালালী করে নামে বেনামে এম্ব্যুলেন্স, ঘর ও জমির মালিক হয়েছেন।
বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগণস্টিকসহ হাসপাতাল সংলগ্ন অসংখ্য ওষুধের দোকানের কর্মচারীদের সক্রিয় সিন্ডিকেট রোগী ধরে স্ব -স্ব প্রতিষ্ঠানে নিয়ে ওষুধ ও সরঞ্জামসহ কেনা -কাটা এবং বেসরকারি ডায়গণস্টিক কিংবা হাসপাতালের সেবা দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কমিশন হাতিয়ে নেয় রোগীর স্বজন ও নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে।
এমন তথ্যও রয়েছে এসব চক্রের বিরুদ্ধে। আইন অনুযায়ী সরকারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ২শ গজের ভেতর কোনো বেসরকারী হাসপাতাল কিংবা ডায়াগণস্টিক থাকার নিয়ম না থাকলেও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন এলাকায় গড়ে উঠেছে প্রায় অর্ধশত বেসরকারী হাসপাতাল ও ডায়াগণস্টিক সেন্টার।
এছাড়াও ড্রাগ লাইসেন্স ও প্রশিক্ষিত ড্রাগ ফার্মসিস্ট ছাড়াই শতাধিকের বেশি ওষুধের দোকানও রয়েছে চরফ্যাশন সরকারী হাসপাতালের দেয়াল ঘিরে।ওষুধের দোকানের কর্মচারি ও দালাল শ্রেণীরা রোগীদের কৌশলে ফুসলিয়ে নিয়ে যায় দোকান ও ডায়গণস্টিক সেন্টারে। ফলে সেখানে রোগীরা অতিরিক্ত মূল্যে সেবা ও চড়া মূল্যে ওষুধ ক্রয় করতে হয়।
চরফ্যাশন হাসপাতাল এলাকায় নারী পুরষ ও কিশোর যুবকসহ প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জন দালাল সবসময় হাসপাতালের ভেতর বাহিরে রোগী ধরার জন্য অবস্থান করতেও দেখা যায় প্রতিদিন। জরুরী বিভাগের চিকিৎসকদের সঙ্গে জরুরী বিভাগের কাজে সহায়তা করতেও দেখা যায় এসব বহিরাগত দালালদের।
এছাড়াও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা ভাইরাসে নেই কোনো স্বাস্থ্যবিধি। স্বাস্থ্য সচেতনতা না মেনেই রোগীদের সেবা দিচ্ছে হাসপাতালের টিকিট কাউন্টারসহ একাধিক বিভাগে।এই বিষয় চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার শোভন কুমার বোশাকের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, প্রশাসনের সহায়তার প্রয়োজন।
প্রশাসন ছাড়া আমরা কিভাবে দালাল মুক্ত করবো। এছাড়া যদি কোনো বহিরাগত লোক বা দালাল দ্বারা জরুরী বিভাগে কার্যক্রম হয়ে থাকে তদন্ত পূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এবং করোনা সচেতনতায় রোগীরা যেন টিকিট কাউন্টারে ভিড় করতে না পাড়ে সে ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন এ প্রসঙ্গে বলেন, ড্রাগ লাইসেন্স বিহীন ওষুধ প্রতিষ্ঠানসহ বেসরকারী হাসপাতাল ও ডায়াগণস্টিকের বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে। দালাল শ্রেণীর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সচেতন মহল দালাল মুক্ত হাসপাতাল চায়। প্রশাসনের যথাযথ হস্তক্ষেপ কামনা করছে তারা।

Comments

comments

Close
%d bloggers like this: