আজ: ৩০শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার, ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৫ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি, রাত ২:২৫
সর্বশেষ সংবাদ
তথ্য প্রযুক্তি টিকটক-এর বিকল্প তৈরি করে নজর কাড়লেন ভারতের দুই ভাই

টিকটক-এর বিকল্প তৈরি করে নজর কাড়লেন ভারতের দুই ভাই


পোস্ট করেছেন: অনলাইন ডেক্স | প্রকাশিত হয়েছে: ১৫/১১/২০২০ , ১:০০ অপরাহ্ণ | বিভাগ: তথ্য প্রযুক্তি


ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ ডেভেলপ করে তাক লাগালেন কাশ্মীরের দুই ভাই। ভারতে এই মুহূর্তে নিষিদ্ধ চিনা ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ টিকটক-এর বিকল্প হিসেবে খুব ভালো ভাবেই এটি কাজ করতে পারে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। এই দুই ভাই ভারতের কাশ্মীরের বুদগাম অঞ্চলের বাসিন্দা। দেশটির প্রধানমন্ত্রীর ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগে সামিল হয়েই এই অ্যাপটি বানিয়েছেন ওই দুই ভাই।
সংবাদমাধ্যম এএনআই-এর তরফে এই খবরটি সর্বপ্রথম ট্যুইট করা হয়। ভারত সরকার চিনা অ্যাপ টিকটক বন্ধ করার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষজন এই অ্যাপের বিকল্প তৈরি করার লক্ষ্যে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সেই উদ্যোগে এবার সাড়া মিলল কাশ্মীর থেকেও। ওই দুই ভাইয়ের একজন টিপু সুলতান ওয়ানি বলছেন, ‘আমরা দিয়কয়েক আগেই একটি মোবাইল অ্যাপ তৈরি করেছি, যার সঙ্গে টিকটক-এর অনেকটাই মিল রয়েছে।’
টিপু সুলতান ওয়ানি এবং তাঁর ভাই মহম্মদ ফারুক দুজনেই অ্যাপ ডেভেলপার। তাঁরা দুজনে টিকটক-এর যে বিকল্প অ্যাপটি তৈরি করেছেন তার পোশাকি নাম নিউক্লিয়ার ‘Nucular’। এই প্রথম নয়। এর আগেও ওয়ানি আর একটি অ্যাপ ডেভেলপ করেছিলেন, যার নাম ফাইল শেয়ার টুল। বিখ্যাত চিনা অ্যাপ শেয়ারইট (Shareit)-এর বিকল্প হিসেবে এই ফাইল শেয়ার টুল বেশ জনপ্রিয়ও হয়েছিল।

https://help.twitter.com/en/twitter-for-websites-ads-info-and-privacy

এর আগে ফাইল শেয়ার টুল অ্যাপটি তৈরি করে টিপু সুলতান ওয়ানি দাবি করেছিলেন যে, এটিই হচ্ছে সবথেকে দ্রুততম এবং হালকা ফাইল-শেয়ারিং অ্যাপ। কাশ্মীরের বাসিন্দাদের সাহায্য নিয়েই এই অ্যাপটি বানিয়েছিলেন বলে সেই সময়ে জানান ওয়ানি। এদিকে আবার ভারতে ফেরার জন্য মুখিয়ে রয়েছে জনপ্রিয় ভিডিয়ো শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম টিকটক। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে যে, সরকারের সঙ্গে টিকটক-এর ভারতে ফেরা নিয়ে চূড়ান্ত পর্বের কথাবর্তা চলছে। খুব শীঘ্রই একটি আশাব্যঞ্জক দিক নিয়ে এই সংস্থা হাজির হবে বলে জানা গিয়েছে।
সম্প্রতি টিকটক-এর ভারতীয় প্রধান নিখিল গান্ধী সংস্থার সমস্ত কর্মীদের একটি ই-মেল করে জানিয়েছেন যে, টিকটক-কে ভারতে ফেরানোর জন্য সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করছেন তাঁরা। টিকটক-এর প্যারেন্ট কোম্পানি অর্থাৎ বাইটড্যান্স-এর হয়ে কমপক্ষে ২ হাজার ভারতীয় কাজ করেন। তাঁদের প্রত্যেককেই এখনও চাকরিতে বহাল রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি। এই কর্মীরা মূলত ভারতে বাইটড্যান্স-এর ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম টিকটক এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম Helo-র দেখভাল করেন। ভারতে ব্যান হওয়া সত্ত্বেও চলতি বছরে সংস্থার কর্মীদের স্যালারি বোনাস দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশিই সংস্থার তরফে কর্মীদের বার্ষিক পারফরম্যান্স রিভিউ সাইকেলও করা হয়েছে।

Comments

comments

Close
%d bloggers like this: