আজ: ২৯শে মে, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার, ১৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, ৯ই জিলকদ, ১৪৪৪ হিজরি, রাত ২:২১
সর্বশেষ সংবাদ
খেলাধূলা মুক্ত হাওয়ায় অনুশীলনে নেপাল

মুক্ত হাওয়ায় অনুশীলনে নেপাল


পোস্ট করেছেন: অনলাইন ডেক্স | প্রকাশিত হয়েছে: ০৯/১১/২০২০ , ৬:১৭ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: খেলাধূলা


করোনার কারণে দুনিয়াটা এখনো আতঙ্কের মধ্যে কেউ কোথায় যেতে পারছে না। আসতেও পারছে না। যদিও আকাশ পথে চলাচলে কিছুটা শিথিলতা এসেছে। তারপরও এক দেশ আরেক দেশে গিয়ে ফুটবল ম্যাচ খেলার সাহস দেখাচ্ছে না। বাফুফে সেটা দেখিয়েছে। নেপালকে বাংলাদেশে এনে প্রীতি ম্যাচ খেলার আয়োজন করেছে। ফিফাও সেই ম্যাচের টায়ার ওয়ান স্বীকৃতি দিয়েছে।

নেপাল ঢাকায় এসে কোয়ারেন্টাইনে ছিল। হোটেল হতে বের হতে পারেনি। হোটেলের ছাদের উপর স্ট্রেচিং করে শরীরি ফিট রাখতে হয়েছে। কারো করোনা আছে কি না সেটা পরীক্ষা করা হয়েছে। খেলোয়াড়, কোচ, কর্মকর্তাদের করোনা টেস্ট নেগেটিভ হওয়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অনুমোদন দিয়েছে বলে বাফুফে জানিয়েছে। ছাড়পত্র পেয়েই গতকাল অনুশীলনে নেমেছে নেপাল ফুটবল দল।

ধানমন্ডিতে শেখ জামাল ক্লাবের মাঠে অনুশীলনে নেমে মহাখুশি হিমালয়ের দেশের ফুটবলার। ঘরবন্দি জীবন কারই বা ভালো লাগে। অনুশীলনে নেমে নেপালকে খুব সিরিয়াস দেখা গেল। কোচ বাল গোপাল মহারজন খুবই সিরিয়াস। এই কোচ এদেশের ফুটবলে খেলেছেন। নেপালের কোচ হয়ে ঢাকায় মাঠ হতে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ট্রফি নিয়েছেন। সেই কোচ বাংলার ফুটবলের আকাশ বাতাস খেলোয়াড়দের মনমানসিকতা সবকিছুই জানেন। কীভাবে জামাল ভুঁইয়াদের ঘায়েল করতে হবে তা নিয়েই কোচের পরিকল্পনা।

নেপালের কোচ বাল গোপাল মহারজন প্রীতি ম্যাচ খেলতে এসে খুব খুশি হওয়ার কারণটাও বলেছেন। করোনার কারণে নেপালও ফুটবল থেকে ঘরবন্দি ছিল। খেলাধুলা ছিল না বললেই চলে। কোচ বললেন, ‘বাফুফেকে ধন্যবাদ। তারা এই খেলাটার আয়োজন করেছে।’ বেশ কৃতজ্ঞতার সঙ্গেই ধন্যবাদ দিলেন তিনি। কারণ এই অসময়ে বাংলাদেশ প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করেছিল বলেই নেপাল ফুটবল খেলার সুযোগ পেয়েছে। এজন্য নেপালি কোচ বাফুফেকে ধন্যবাদ জানিয়েছে।

দলের প্রস্তুতি নিয়ে কোচ বাল গোপাল মহারজন বললেন, ‘করোনার কারণে আমরাও অনুশীলন করতে পারিনি। ঢাকায় আসার কয়েক দিন আগে অনুশীলন করেছি। অনুশীলনের জন্য যথেষ্ট সময় পাইনি।’ জামাল ভুঁইয়া ভারতের আই লিগে খেলার ডাক পেয়েছেন। তার সঙ্গে নেপালের গোলকিপারও সেখানে খেলতে যাবেন।

Comments

comments