আজ: ১৭ই অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার, ১লা কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩০শে সফর, ১৪৪২ হিজরি, সকাল ৯:১২
সর্বশেষ সংবাদ
জেলা সংবাদ, বিশেষ প্রতিবেদন জলবায়ু সুবিচারের দাবিতে অবরোধ কর্মসূচি পালন

জলবায়ু সুবিচারের দাবিতে অবরোধ কর্মসূচি পালন


পোস্ট করেছেন: মতপ্রকাশ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ২৬/০৯/২০২০ , ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: জেলা সংবাদ,বিশেষ প্রতিবেদন


জলবায়ু সুবিচারের দাবিতে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে তরুণরা। বৈশ্বিক জলবায়ু কার্যক্রম সপ্তাহের অংশ হিসেবে সুইডিস পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গের আহবানে সাড়া দিয়ে শ্যামনগর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে এই অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়।

আজ শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ফ্রাইডেস ফর ফিউচার বাংলাদেশ, ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিস, ইসলামি রিলিফ বাংলাদেশ, সিডিও ইয়ুথ টিমসহ বিভিন্ন যুব সংগঠনের সদস্যদের অংশগ্রহণে অবরোধ কর্মসূচি সফল করতে প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে তরুণ জলবায়ু কর্মীরা একত্রিত হয়। পরে তারা জলবায়ু সুবিচারের দাবি দাওয়া সম্বলিত প্লাকার্ড নিয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

বিশ্ব জলবায়ু কর্মসূচি সপ্তাহ উদযাপন কমিটির আহবায়ক হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে বক্তব্য রাখেন, স্বর্ণকিশোরী ঐশয্য কর্মকার মেঘা, যুব সংগঠক মোমিনুর রহমান, জলবায়ু পরিষদের সদস্য শেফালী পারভীন, স্টুডেন্ট সলিডারিটি টিমের রাইসুল ইসলাম, সিডিও ইয়ুথ টিমের সদস্য জান্নাতুল নাইম, সিডিও ইয়ুথ টিমের সভাপতি স ম ওসমান গনি সোহাগ, ইসলামি রিলিফ বাংলাদেশের তাহসীন আজিজ, ই ক্যাটের প্রতিনিধি ফয়সাল হোসেন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উপকূলের মানুষ আজ বিপদাপন্ন। এই বৈশ্বিক সংকট মোকাবেলায় তরুণদের ভূমিকা আরও অর্থবহ করতে জাতীয় পর্যায়ে নীতি নির্ধারণ থেকে শুরু করে তা বাস্তবায়নে তরুণদের সম্পৃক্ত করতে হবে। একই সাথে জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী রাষ্ট্রসমূহকে ক্ষতিপূরণে বাধ্য করতে সোচ্চার হতে হবে।

তারা আরো বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গোটা বিশ্ব ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে এই ঝুঁকির মাত্রা সবচেয়ে বেশি। বিশ্ব নেতৃবৃন্দ এই বিষয়টি আমলে নিচ্ছে না। জলবায়ু পরির্বতনের ঝুঁকি হ্রাস করতে এসব দেশের ভূমিকা সংকীর্ণ। প্যারিস চুক্তি প্রণয়নের প্রায় ৫ বছর অতিক্রান্ত হলেও জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব মোকাবেলায় এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। তারা আমাদের ভবিষ্যত ও বর্তমান নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। তাই ২০২৫ সালের মধ্যেই গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের মাত্রা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে৷ জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী রাষ্ট্রসমূহের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় ও জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য আদায়কৃত অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় করতে হবে।

Comments

comments

Close