আজ: ১৫ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার, ৩১শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৫শে জিলহজ, ১৪৪১ হিজরি, রাত ১২:২২
সর্বশেষ সংবাদ
বিনোদন দুর্ঘটনার কবলে অভিনেত্রী শাহানাজ খুশি

দুর্ঘটনার কবলে অভিনেত্রী শাহানাজ খুশি


পোস্ট করেছেন: মতপ্রকাশ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ১৮/০৭/২০২০ , ১:২৫ অপরাহ্ণ | বিভাগ: বিনোদন


করোনার কারণে গেল চার মাস কোনো নাটকের শুটিং করেননি অভিনেত্রী শাহানাজ খুশি। দীর্ঘ বিরতির পর বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) শুটিংয়ে ফিরতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনার মুখে পড়েছিলেন তিনি। অল্পের জন্য বেঁচে গেছেন এই অভিনেত্রী।

খুশি জানান, বৃহস্পতিবার ঈদের নাটক ‘নসু ভিলেন’-এর দৃশ্যায়নের জন্য পুবাইল যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা ঘটে। গাজীপুর যাবার পথে গাড়িটির উপর চড়াও হয় একটি বিশাল কার্গো। এতে করে গাড়ি কাগজের মতো দুমড়ে মুচড়ে যায়। সৃষ্টিকর্তার কৃপায় বেঁচে গেছি।

খুশি জানান, তার গাড়িকে পেছনে ঠেলে নিয়ে থেমে থাকা একটি ট্রাকের সঙ্গে চেপে ধরে কার্গোবাহী ট্রাক। সেটি চালাচ্ছিল হেলপার, যার আনুমানিক বয়স ১৬-১৭ বছর।

ড্রাইভারের প্রসঙ্গে উল্লেখ করে বলেন, গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো, ওনার কোন লাইসেন্স নাই! এমন নাকি চলে, কোন সমস্যা হয় না! আমি আসলে পুরো সেন্সে ছিলাম না, কিছু কিছু কথা আমি ভুলতে পারছি না! পুবাইল পুলিশ, শুটিংয়ের ছেলেরা, আমার বাসার মানুষ সবাই চলে এসেছে। আমি তখন থরকম্প একটা মাংসপিণ্ড কেবল। কেউ একজন ক্ষতিপূরণের কথা বলায় ড্রাইভার বলছে, মানুষ মাইরালায় ট্যাহা লাগে না, বাঁইচ্যা আছে, তাও ট্যাহা লাগবো!’

খুশি জানান, কত বড় অরাজকতার মধ্যে আমরা বাস করছি, তা ভুক্তভোগী সবাই জানি। আজ স্বাস্থ্যখাত সামনে এসেছে বলে সাহেদদের মতো অসংখ্য অসংখ্য কালপ্রিট সামনে আসছে, পরিবহন খাতটা দীর্ঘকাল হলোই এমন! প্রতিদিন এমন অসংখ্য দুর্ঘটনায় শেষ হচ্ছে হাজারো পরিবার, খালি হচ্ছে মায়ের কোল, সন্তানের বুক! কিন্তু কোন প্রতিকার নেই। স্বাস্থ্যখাতের চেয়েও আরও দুর্গম, অন্ধকার, অন্যায়ে ঠাসা এ পরিবহনখাত!

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খুশি লেখেন, আমি কাল থেকে অপ্রকৃতস্থ প্রায়! খেতে পারছি না, চোখ বন্ধ করতে পারছি না। আমার ছেলে দুইটা এ ভয়াবহতায় এলোমেলো। বাচ্চা ছেলেটা রাতে ঘুমের ওষুধ খেয়ে ঘুমিয়েছে! আমি কিছু বুঝতে চাই না। আমি আমার দেশের প্রতি, আইনের প্রতি শতভাগ শ্রদ্ধাশীল এবং দায়িত্ববান। আমার এবং আমার পরিবারের দ্বারা দেশের বিন্দু পরিমাণ সম্মান ক্ষুণ্ণ হয় নাই। বরং দেশের মর্যাদা রক্ষায় আমরা বদ্ধ পরিকর। আমি শুধু আমার জীবনের নিরাপত্তা চাই।

তিনি আরও লেখেন, জীবনে এত যুদ্ধ, এত শিক্ষার পর একজন অশিক্ষিত নেশাগ্রস্ত লাইসেন্সবিহীন ড্রাইভারের হাতে জীবন দিতে রাজী নই। দয়া করে আইন সংশোধন করে আমাদের জীবনকে নিরাপদ করুন। আমি আমার সন্তানকে দায়িত্বপূর্ণ নাগরিক করার দায়িত্বভার নিষ্ঠার সাথে পালন করছি। আপনারা আমাদের জীবন ও পথকে নিরাপদ করুন।

Comments

comments

Close