আজ: ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার, ৫ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩রা সফর, ১৪৪২ হিজরি, রাত ১২:৪১
সর্বশেষ সংবাদ
রাজধানী জুড়ে, রাজনীতি করোনাকালে অসচ্ছল পরিবারের পাশে রান্না করা খাবার সহায়তা নিয়ে যুবলীগ নেতা পাপ্পু

করোনাকালে অসচ্ছল পরিবারের পাশে রান্না করা খাবার সহায়তা নিয়ে যুবলীগ নেতা পাপ্পু


পোস্ট করেছেন: মতপ্রকাশ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ২৩/০৫/২০২০ , ২:৪৬ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: রাজধানী জুড়ে,রাজনীতি


প্রতিদিন বিকাল ৪টার  পরই রাজধানীর শেখেরটেক ১০ নাম্বারে অবস্থিত পিসিকালচার পাবলিক হাই স্কুলের  মাঠে  কিছু মানুষ জড়ো হন। যাদের বাস আশেপাশেই। সবার হাতে থাকে খাবার নেওয়ার পাত্র। প্রথমে তাদের জীবাণুমুক্ত করা হয়। এরপর তাদের পরিবারের সদস্য অনুসারে দেওয়া হয় রান্না করা খাবার।

খাবার তালিকায় থাকে সবজি খিচুড়ি বা ডাল-ভাত। ডাল-ভাতের সঙ্গে থাকে মাছ অথবা মুরগি বা গরুর মাংস। আবার কোনোদিন থাকে সিদ্ধ ডিমের ঝোল। কখনওবা পোলাও-মুরগীর মাংস  ।  করোনাকালে অসচ্ছল  শতাধিক মানুষকে এভাবে প্রতিদিন একবেলা রান্না করা খাবার সরবরাহ করছেন  ১০০ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি শাহরুখ জাহান পাপ্পু ।

পহেলা রমজানে শুরু হয়ে মাসব্যাপী চলা  এই উদ্যোগে খাবারের পাশাপাশি পরিবারগুলোকে   মাস হিসেবে প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যও দেওয়া হয়েছে ।

পাপ্পু জানিয়েছেন, করোনায় লকডাউন শুরু হওয়ার পর ঘরবন্দি হয়ে পড়েছেন সবাই। এতে বিপাকে পড়েছেন ভাসমান ব্যবসায়ী ও খেটে খাওয়া মানুষেরা। তাদের অনেকেই দৈনিক খাবারটুকুও জোগাড় করতে পারছেন না। এ ধরনের মানুষের জন্য   একবেলা রান্না করা খাবার বিতরণ শুরু করেন তিনি । তার এই উদ্যোগে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন আদাবর থানা যুবলীগের আহ্বায়ক আরিফুর রহমান তুহিন ।

পাপ্পু আরো বলেন, সীমিত সাধ্যের মধ্যে এই দুর্যোগে আমরা তিন ধরনের মানুষের পাশে থাকতে চেয়েছি। এক. যারা প্রকৃত অর্থেই অভাবী, দুই. যারা অভাবের কথা বলতে সংকোচ বোধ করেন এবং তিন. যারা পথের মানুষ।

দরিদ্র প্রতিবেশী, দিনমজুর ও রিকশাচালকরা প্রতিদিন তাদের রান্না করা খাবার খাচ্ছেন। তারা নিয়মিত ১২০ জনের খাবার তৈরি করেন। শুরুতে বেশি খরচ হলেও এখন খরচ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানান তিনি । প্রতিদিন প্রায় ছয় হাজার টাকা খরচ হয়।

শিউলি   নামের এক উপকারভোগী জানান, তিনি ফুটপাতে চা বিক্রি করতেন। দুই মাস ধরে বেচাকেনা বন্ধ। শাহরুখ জাহান পাপ্পুর  সহযোগিতা না পেলে এই সময় পরিবার নিয়ে না খেয়েই দিন কাটাতে হতো।

Comments

comments

Close