আজ: ২৯শে মার্চ, ২০২০ ইং, রবিবার, ১৫ই চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ৪ঠা শাবান, ১৪৪১ হিজরী, ভোর ৫:২২
সর্বশেষ সংবাদ
আইন ও বিচার সাংবাদিকরা তো খবরের পেছনে ছুটবেই, তাদের দোষ দেখছি না: হাইকোর্ট

সাংবাদিকরা তো খবরের পেছনে ছুটবেই, তাদের দোষ দেখছি না: হাইকোর্ট


পোস্ট করেছেন: মতপ্রকাশ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ০৪/০৩/২০২০ , ১২:৪৫ অপরাহ্ণ | বিভাগ: আইন ও বিচার


সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির হত্যা মামলার তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতের উপস্থাপনের আগেই গণমাধ্যমে কিভাবে প্রকাশ পেল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে হাইকোর্ট। বুধবার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এ প্রশ্ন তোলেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সাগর-রুনি হত্যা মামলার অগ্রগতি প্রতিবেদন হাইকোর্টের উপস্থাপনের পর বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম বলেন, এ রিপোর্ট মিডিয়ায় কিভাবে গেল? হয় অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় বা তদন্ত সংস্থার কাছ থেকে এ রিপোর্ট ছুটেছে। কোর্টে উপস্থাপনের আগেই এভাবে মিডিয়ায় রিপোর্ট প্রকাশ পেলে জনমনে এক ধরণের পারসেপশন তৈরি হয়।

এ পর্যায়ে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার বলেন, আমি সাংবাদিক ছিলাম, আমি কাউকে কোনো রিপোর্ট দেইনি। যার কারণে আমার সাংবাদিক বন্ধুরা আমাকে দেখতে পারেন না।

তখন বিচারপতি ইনায়েতুর রহিম বলেন, সাংবাদিকদের কাজই হল খবরের পেছনে ছোটা। তারা খবর সংগ্রহ করতে ছুটবেই। আমরা তো সাংবাদিকদের কোন দোষ খুঁজে পাচ্ছি না।

অমিত তালুকদার বলেন, এভাবে রিপোর্ট প্রকাশ আদালত অবমাননার শামিল।

বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম বলেন, সাংবাদিকরা রিপোর্ট পেলেই ছাপাবে এটাই স্বাভাবিক। যদি আপনি ওই রিপোর্টের সঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদনের মিল না থাকে তখন তাদের দোষারোপ বা ধরার সুযোগ থাকে।

তিনি আরো বলেন, রিপোর্ট আদালতে দাখিলের আগেই যে সাংবাদিকদের হাতে গেছে দোষ তো কাউকে না কাউকে স্বীকার করতেই হবে।

উল্লেখ্য,গত সোমবার সাগর-রুনি হত্যা মামলায় র‌্যাবের সর্বশেষ অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের আগেই  গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। এদিকে আদালতের এখতিয়ার থাকার পরেও শুনানির এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তোলায় হাইকোর্ট মামলার আসামি তানভীর রহমানের আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন। ফলে আদালতে এ মামলার অগ্রগতি প্রতিবেদনের উপর শুনানি হয়নি।

Comments

comments

Close
আক্রান্ত৪৮
চিকিৎসাধীন৩২
সুস্থ১১
মৃত্যু
কোয়া:৬৪৪৪
জেলা
আক্রান্ত
চিকিৎসাধীন
সুস্থ
মৃত্যু
কোয়া:
ঢাকা
১৫
মাদারীপুর
১০
নারায়ণগঞ্জ
গাইবান্ধা
১৪৮
চুয়াডাঙ্গা
গাজীপুর
কুমিল্লা
মুন্সিগঞ্জ
মাগুরা
মানিকগঞ্জ
৬০৪
ময়মনসিংহ
ভোলা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
বান্দরবান
বাগেরহাট
৫৯৪
বরিশাল
বরগুনা
মৌলভীবাজার
যশোর
১১০৮
মেহেরপুর
হবিগঞ্জ
৭৪৩
সুনামগঞ্জ
সিলেট
সিরাজগঞ্জ
সাতক্ষীরা
শেরপুর
শরীয়তপুর
লালমনিরহাট
লক্ষ্মীপুর
রাজশাহী
রাজবাড়ী
রাঙামাটি
রংপুর
বগুড়া
ফেনী
ফরিদপুর
ঝালকাঠি
জয়পুরহাট
জামালপুর
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
চাঁদপুর
৮১৯
চট্টগ্রাম
গোপালগঞ্জ
৩২৮
কক্সবাজার
খুলনা
খাগড়াছড়ি
কুড়িগ্রাম
১৬৮
কুষ্টিয়া
ঝিনাইদহ
টাঙ্গাইল
ঠাকুরগাঁও
পিরোজপুর
৫২
পাবনা
৬৩১
পটুয়াখালী
পঞ্চগড়
৫৬৫
নোয়াখালী
নেত্রকোনা
নীলফামারী
নাটোর
নরসিংদী
২৭৮
নড়াইল
নওগাঁ
দিনাজপুর
কিশোরগঞ্জ
জেলা তথ্য নেই
১৫
৩১
১১
৪০৬
মোট
৪৮
৩২
১১
৬৪৪৪
More COVID-19 Advice