আজ: ২২শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং, শুক্রবার, ৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২৫শে রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী, সন্ধ্যা ৬:১৩
সর্বশেষ সংবাদ
বিনোদন নি:স্বপ্রায় চলচ্চিত্র পরিচালক অরণ্য পলাশকে তথ্যমন্ত্রীর সহায়তা

নি:স্বপ্রায় চলচ্চিত্র পরিচালক অরণ্য পলাশকে তথ্যমন্ত্রীর সহায়তা


পোস্ট করেছেন: মতপ্রকাশ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ০৬/১১/২০১৯ , ৬:৫১ অপরাহ্ণ | বিভাগ: বিনোদন


‘কোন পেশাই অসম্মানের নয়, আমি নিজেও বিদেশে রেস্তোঁরায় ওয়েটারের কাজ করেছি’- চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে গিয়ে প্রায় নি:স্ব হয়ে হোটেল বয় হিসেবে কর্মরত চলচ্চিত্র পরিচালক অরণ্য পলাশকে নিজের পক্ষ থেকে অর্থ সহায়তাদানকালে একথা বলেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।
আজ বুধবার ঢাকায় সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে ‘গন্তব্য’ চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করতে গিয়ে নি:স্বপ্রায় চলচ্চিত্র পরিচালক অরণ্য পলাশকে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ নিজের পক্ষ থেকে এক লাখ টাকা হস্তান্তর করেন। তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মোঃ মুরাদ হাসান, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও চলচ্চিত্র) মোঃ মিজান-উল-আলম, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার, অরণ্য পলাশ ও তার নির্মিত ‘গন্তব্য’ চলচ্চিত্রের প্রযোজক এলিনা শাম্মীসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যমন্ত্রী এসময় বলেন, ‘আমি নিজে যখন বিদেশে পড়াশুনা করতাম, তখন আমি হোটেল-রেস্তোঁরায় কাজ করতাম। অর্থাৎ আমি নিজেও টি-বয়ের কাজ করতাম, সেখানে টি-বয় বলে না, ওয়েটার বলে। এটি বলতে আমার কোনো দ্বিধা নেই যে, আমি সেই কাজ করতাম। একদিন দুদিন নয়, আমি বিদেশে অনেক দিন ছিলাম মাস্টার্স ও ডক্টরেট করার জন্য। সেখানে অনেক দিন কাজ করেছি, মাসের পর মাস। কোনো কাজই অসম্মানের নয়।’
‘অরণ্য পলাশের এই পরিস্থিতি দেখে আমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, সচিব- সবার সাথে আলোচনা করেছি যে তাকে আমরা কোনোভাবে সহায়তা করতে পারি কি না’ উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, ‘আজকে তাকে ডেকেছি ব্যক্তিগতভাবে আমার পক্ষ থেকে সহায়তা করার জন্যে। কারণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সহায়তা করতে হলে একটা প্রক্রিয়া অবলম্বন করতে হয়। আপনারা জানেন, সরকার যে অনুদান দেন, সেটার একটা কমিটি আছে, সেই কমিটির মাধ্যমে অনুদান অনুমোদিত হতে হয়। কমিটির সাথে আমি কথা বলবো, তার এই চলচ্চিত্র যাতে মুক্তি পায়, সেজন্য আরো কি খরচ দরকার, কিছু খরচ তো সে করে ফেলেছে। আর কি সহায়তা দরকার, কমিটির সাথে,সেটি আলোচনা করবো।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আবারও বলবো, কোনো কাজই কিন্তু অসম্মানের না, সব কাজই সম্মানের। এবং সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এবং কোনো কাজকে কোনো পেশাকে অসম্মানিত করে কোনো কিছু বলা কারো উচিত নয়। সব মানুষ সম্মানের, সব কাজ সম্মানের।’
‘আমি শুরুতেই বলেছি যে আমি নিজেও রেস্টুরেন্টে ওয়েটারের কাজ করেছি, অর্থাৎ টি-বয়ের কাজ করেছি, সুতরাং আপনার মনে কষ্ট পাওয়ার কোনো কারণ নেই’- অরণ্য পলাশকে বলেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

Comments

comments

Close