আজ: ১১ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার, ২৮শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৯শে শাবান, ১৪৪২ হিজরি, রাত ৩:৪৫
সর্বশেষ সংবাদ
আইন ও বিচার ইবি ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা

ইবি ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা


পোস্ট করেছেন: মতপ্রকাশ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ২৯/১০/২০১৯ , ১২:১৮ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: আইন ও বিচার


মোঃ তাসনিমুল হাসান ,ইবি সংবাদদাতা: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রলীগ নেতা মিজানুর রহমান লালনের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা দায়ের করেছেন সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান। এ মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সোমবার বেলা ১টায় ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকে অবরোধ এবং বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শাখা ছাত্রলীগের বিদ্রোহী গ্রুপের নেতাকর্মীরা। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বহনকারী বাসগুলো আটকা পড়ায় ভোগান্তিতে পড়েন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। পরে  ভিসি অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশীদ আসকারীর সাথে সাক্ষাৎ করেন আন্দোলনকারীরা। এ সময় তিনি বলেন, ‘এটা ড. মাহবুবের ব্যক্তিগত বিষয়। তবুও আমরা বাদি ও বিবাদির সাথে বসে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করব।’
সূত্র মতে, গত ২৩ সেপ্টেম্বর ডিবিসি চ্যানেলে ‘মানচিত্র : বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অস্থিরতা’বিষয়ক সরাসরি সম্প্রচার অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎকার দেন ইবি ছাত্রলীগ নেতা মিজানুর রহমান লালন। লালন বিশ্ববদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রলীগের সাবেক ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক। সাক্ষাৎকারে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমানের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ আনেন। তিনি বলেন, ছাত্র থাকাকালীন সময়ে ড. মাহবুব ছাত্রশিবিরের নেতৃত্ব দিতেন। এ ছাড়াও তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগবাণিজ্যের মূলহোতা, শিক্ষার্থীদের হুমকি, ছাত্রলীগের ওপর গুলিবর্ষণের নির্দেশদাতা হিসেবেও অভিযোগ করেন লালন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ অক্টোবর কুষ্টিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইবি আমলি আদালতে লালন ও ডিবিসি নিউজের প্রধান সম্পাদক মুনজুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ড. মাহবুব। এর আগে ড. মাহবুব বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ও শিক্ষক সমিতি বরাবর অভিযোগ করে বিচারের দাবি জানান।
এ বিষয়ে বিবাদি মিজানুর রহমান লালন বলেন, ‘তিনি আমার বিরুদ্ধে যে মামলা করেছেন তা টিকবে না। আমার কাছে যে তথ্য-প্রমাণ রয়েছে তা আদালতে পেশ করলে তার করা মামলা মিথ্যা ও ভুয়া হিসেবে পরিগণিত হবে। আর ড. মাহবুবর রহমানকে আমি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বলে অভিহিত করেছিলাম, যা আমার ভুল হয়েছে। এটা আমি স্বীকার করছি।’এ বিষয়ে মামলার বাদি ড. মাহবুবর রহমান বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর তথ্য-প্রমাণ দিতে পারলে আমি বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে চলে যাবো। আর যদি তথ্য-প্রমাণ না দিতে পারে তাহলে আনুষ্ঠানিকভাবে আমার সততার স্বীকৃতি দিতে হবে। এ বিষয়ে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’

Comments

comments

Close
%d bloggers like this: