আজ: ১৫ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার, ২রা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৩রা রমজান, ১৪৪২ হিজরি, সকাল ৭:৩৭
সর্বশেষ সংবাদ
শিক্ষাঙ্গন ইবি ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা, প্রতিবাদে বিক্ষোভ-ফটকে তালা

ইবি ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা, প্রতিবাদে বিক্ষোভ-ফটকে তালা


পোস্ট করেছেন: মতপ্রকাশ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ২৮/১০/২০১৯ , ৯:২৩ অপরাহ্ণ | বিভাগ: শিক্ষাঙ্গন


সম্প্রতি মানহানীর অভিযোগ এনে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাবেক প্রক্টর প্রফেসর ড. মাহবুবর রহমান শাখা ছাত্রলীগের এক নেতার বিরুদ্ধে এক’শ কোটি টাকার মামলা করেছেন। মামলাকে হয়রানিমূলক দাবি করে মিছিল-সমাবেশ ও প্রধান ফটক তালাবদ্ধ করেছে ছাত্রলীগের একাংশের কর্মীরা।

এসময় হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার এবং ড. মাহবুবর রহমানকে দূর্নীতির মূলহোতা দাবি করে তাকে প্রশাসনিক সকল দ্বায়িত্ব থেকেও অব্যহতির দাবি জানিয়েছে তাঁরা। সোমবার দুপুরে এসব কর্মসূচী পালন করেন ছাত্রলীগ কর্মীরা।

শাখা ছাত্রলীগের সাবেক ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান লালনের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সোমবার বেলা দেড়টার দিকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে ছাত্রলীগ কর্মীরা। দলীয় টেন্ট থেকে শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে মিছিলটি ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে প্রশাসন ভবনের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

এসময় দুপুর ২ টার সময় ক্যাম্পাসের প্রধান ফটক আটকে দেয় নেতারা। প্রধান ফটক আটকে দেওয়ায় দুপুর ২ টার শিফটের ক্যাম্পাস গাড়ি নির্দিষ্ট সময়ে যায়নি। এতে ভোগান্তিতে পড়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে দেখা করে মামলা প্রত্যাহার এবং ড. মাহবুবকে দূর্নীতির মূলহোতা দাবি করে তাকে সকল প্রশাসনিক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানায়। প্রশাসন মামলার বাদি এবং বিবাদীর সাথে বসে বিষয়টি মিমাংসা করার চেষ্টার করবে এমন আশ্বাসে দুপুর আড়াইটায় প্রধান ফটক খুলে দেয় ছাত্রলীগ কর্মীরা।

এ বিষয়ে সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক তৌকির মাহফুজ মাসুদ বলেন, ‘যে শিক্ষক আমাদের সহযোদ্ধার নামে হয়রানিমূলক মামলা করেছেন, তিনিই নানান অভিযোগে অভিযুক্ত। আমার তাকে সকল প্রশাসনিক পদ থেকে অব্যাহতির দাবি জানিয়েছি। দ্রুত সময়ে অব্যাহতি না দিলে আমরা বড় আন্দোলনে যাবো।’

প্রফেসর ড. মাহবুবর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ করা হয়েছে তা প্রমান করতে পারলে ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে যাবো। আমি প্রশাসন ও শিক্ষক সংগঠনের কাছে এব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করে সাড়া না পেয়ে আইনি আশ্রয় নিয়েছি।’

এ বিষয়ে ভিসি প্রফেসর ড. রাশিদ আসকারী বলেন, ‘ছাত্র ও শিক্ষকের মাঝে যে মামলার ঘটনা ঘটেছে তা তাদের ব্যক্তিগত। তারপরও বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের বসার ব্যবস্থা করবো।’

উল্লেখ্য, গত ১৭ অক্টোবর কুষ্টিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইবি আমলী আদালতে মিজানুরর রহমান লালন এবং ডিবিসি নিউজের সম্পাদক মুনজুরুল ইসলামকে আসামী করে মানহানী মামলা করেছেন ড. মাহবুবর রহমান। দন্ডবিধির ৫০০/৫০১/৫০২ ধারা মোতাবেক মামলা দায়ের করেন তিনি।

Comments

comments

Close
%d bloggers like this: