আজ: ১২ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার, ২৯শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩০শে শাবান, ১৪৪২ হিজরি, রাত ১২:৫১
সর্বশেষ সংবাদ
জেলা সংবাদ বাঘায় মাদক মামলার আসামীরাও চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে

বাঘায় মাদক মামলার আসামীরাও চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে


পোস্ট করেছেন: মতপ্রকাশ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ১৯/০৯/২০১৯ , ১০:১৯ অপরাহ্ণ | বিভাগ: জেলা সংবাদ


বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি:  রাজশাহীর বাঘায় দীর্ঘ ১৭ বছর পর ১৪ অক্টোবর ৭ টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪ টিতে নির্বাচন  অনুষ্ঠিত হবে।এ নির্বাচনকে ঘিরে উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্য দিয়ে মনোনয়নপত্র উত্তোলন,জমা ও যাচাই-বাছাই ইতিমধ্যে শেষ করেছে উপজেলা নির্বাচন অফিস।এর মধ্যে একটি ইউনিয়নে মাদক মামলার অভিযুক্ত একজন বিএনপি মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং দুইজন সাধারন প্রার্থীর নামে মাদকের মামলা রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।তাদের মধ্যে একজন সদস্য এ মুহুর্তে কারাগারে রয়েছেন।

  উপজেলা নির্বাচন অফিসার মজিবুল আলম জানান,আগামী ১৪ অক্টোবর বাঘার ৭ টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪ টিতে যথাক্রমে বাজুবাঘা,গড়গড়ি,পাকুড়িয়া ও মনিগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।সে লক্ষে গত ১৫ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়েছে।আগামী ২২ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন এবং ২৩ সেপ্টেম্বর প্রতীক বরাদ্ধ দেয়া হবে।

   অভিযোগ উঠেছে,যে সকল প্রার্থী মনোনয়নপত্র চুড়ান্ত হয়েছে তাদের মধ্যে একটি ইউনিয়ন মনিগ্রামে স্থানীয় বিএনপি যাকে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে চুড়ান্ত করেছেন সেই  মজিবুর রহমান জুয়েল তার নামে কয়েকটি মামলা রয়েছে।এর মধ্যে ঙ্গাইল থানায় একটি মাদকের মামলা রয়েছে।সেই মামলায় দীর্ঘ দিন কারাবাস ছিলেন।তবে জুয়েল দাবি করেছেন,ওই মামলায় তিনি প্রথম দিকে হাজত বাস করলেও পরবর্তীতে আদালতের রায়ে খালাস পেয়েছেন।
এই ইউনিয়নে সাধারন সদস্য পদে যে দুজন প্রার্থীর নামে মাদক মামলা রয়েছে তারা হলেন,১ নং ওয়ার্ড ভানুকর গ্রামের আব্দুর রহমান এবং ৩ নং ওয়ার্ড মহদীপুর গ্রামের রিয়াল আহাম্মেদ।আব্দুর রহমান কয়েক মাস পুর্বে চারঘাট থানায় ইয়াবা জব্দকৃত  মামলায় হাজত খেটে জামিনে বের হয়েছেন।তিনি এলাকার গরু ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত।
   অপরজন রিয়াল তিনি কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী।তার নামে বাঘা ও চারঘাটসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদকের মামলা রয়েছে।বর্তমানে তিনি রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থান করছেন।সেখান থেকে নিজ নামের কলঙ্ক ঘুচাতে সাধারন সদস্য প্রার্থী হয়েছেন বলে দাবী এলাকাবাসীর।
এবিষয়ে বাঘার স্থানীয় কয়েকজন সূধীমহলসহ বিএনপি ত্যাগী নেতা-কর্মীদের সাথে আলাপকালে তারা বলেন,দলের মধ্যে একাধিক ভাল প্রার্থী থাকার পরও যার মধ্যে স্বচ্ছতা নেই এমনকি মাদক মামলা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান প্রার্থী করা ঠিক হয়নি।
এ বিষয়ে বাঘা উপজেলা নির্বাচন অফিসার মজিবুল আলম জানান,পূর্বের নীতিমালা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যদি আদালতের রায়ে অভিযুক্ত প্রমানিত হয়ে কারাবাস খাটেন তাহলে সেখান থেকে বের হওয়ার ৫ বছর পর্যন্ত তিনি নির্বাচনে অংশ গ্রহন করতে পারবে না।
  এ দিক থেকে যে তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তারা কেউ এ রায়ের আওতায় পড়েনি।এর মধ্যে একজন সদস্য বিধি মোতাবেক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জেল থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

Comments

comments

Close
%d bloggers like this: