আজ: ১৫ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার, ৩১শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৫শে জিলহজ, ১৪৪১ হিজরি, সকাল ৭:৪৯
সর্বশেষ সংবাদ
জেলা সংবাদ, রাজশাহী বিভাগ ১১বছর যাবৎ ভোটাধিকার বঞ্চিত বাঘা উপজেলায় চারটি ইউনিয়ন পরিষদের জনসাধারণ

১১বছর যাবৎ ভোটাধিকার বঞ্চিত বাঘা উপজেলায় চারটি ইউনিয়ন পরিষদের জনসাধারণ


পোস্ট করেছেন: মতপ্রকাশ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ২২/০৩/২০১৯ , ৪:০৮ অপরাহ্ণ | বিভাগ: জেলা সংবাদ,রাজশাহী বিভাগ


বাঘা(রাজশাহী) প্রতিনিধি:

রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় চারটি ইউনিয়ন পরিষদের জনসাধারণ  ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ১১বছর যাবৎ।তার মধ্যে দুটি ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দিয়ে ।।যার ফলে  ব্যহত  হচ্ছে উন্নয়ন কার্যক্রম তেমনই ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এলাকার সর্ব স্তরের জনগন।

বাঘা পৌরসভা সুত্রে জানা গেছে,পৌরসভার সাবেক মেয়র মোঃআক্কাস আলী বাঘা পৌরসভাকে দ্বিতীয় শ্রেণী থেকে প্রথম শ্রেণীতে উন্নতি করায় চারটি ইউনিয়ন পরিষদের আংশিক এলাকা পৌরসভার মধ্যে সম্পৃক্ত করেন।ফলে মনিগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মরহুম আকবর হোসেন,সাবেক গড়গড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মরহুম আব্দুল গনি মন্ডল,পাকুড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ রেজাউল হক ফিটু সীমানা সংক্রান্ত জটিলতার অভিযোগ এনে হাইকোর্টে এ  বিষয়ে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন।এরই পরিপ্রেক্ষিতে বাঘা উপজেলার চারটি ইউনিয়ন পরিষদ বাজুবাঘা,গড়গড়ি,মনিগ্রাম,পাকুড়িয়া
ইউনিয়নের নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করে হাইকোর্ট।

উল্লেখ্য যে,ইতোমধ্যে একে একে দুইবার জাতীয় সংসদ নির্বাচন  ,দুইবার আড়ানী পৌরসভা, গত ২০১৭ সালের   ২৮শে ডিসেম্বর বাঘা পৌরসভা এবং সদ্য ১০ই মার্চ অনুষ্ঠিত হয়ে গেল উপজেলা নির্বাচন।

২০০৩সালে উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে মধ্যে  ৪টি  ইউনিয়নের নির্বাচনের মেয়াদ শেষ হয়।তবে ২০১১সালে ২রা জুলাই এই চারটি ইউনিয়নে নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা করলেও নির্বাচন রহস্যজনক ভাবে স্থগিত হয়ে যায়।

অপরদিকে মনিগ্রাম ও বাজুবাঘা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রয়াত হলে দুই ইউনিয়ন পরিষদ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দিয়ে চলছে।ইতিমধ্যে একটি ইউনিয়নের একজন ওয়ার্ড সদস্যের মৃত্যু হয়। ফলে ওই সকল ইউনিয়ন পরিষদ ও ওয়ার্ডের উন্নয়ন নানা ভাবে ব্যহৃত হচ্ছে।

বাঘা উপজেলার সচেতন জনগন মনে করেন,৪টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন হওয়া জরুরী।নির্বাচনের মেয়াদ ১১বছর পার হতে চলেছে।নির্বাচিত প্রতিনিধি না থাকলে উন্নয়ন ব্যহৃত হয়।বর্তমানে তাই হচ্ছে।বিশেষ করে সরকারী ভাবে নানা রকম বরাদ্ধ কিংবা ভাতা (অনুদান)পেতে এখন গরিব দুঃখিদের টাকা গুনতে হচ্ছে ।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুজিবুল আলম জানান,এই মুহুতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আর কোন আইনি জটিলতা নেই।বর্তমানে চার ইউনিয়নের ভোটারদের  বাড়ী বাড়ী গিয়ে নাম যাচাই বাছাইয়ের কাজ চলছে।যাচাই বাছাই শেষে -নির্বাচন অফিসে প্রতিবেদন দাখিল করলে ভোটের প্রস্তুতি গ্রহন করা হবে।

বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন রেজাবলেন,বাজুবাঘা,গড়গড়ি,পাকূড়িয়া,মনিগ্রাম চারটি ইউনিয়নের নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে।আশা করছি অতিশীঘ্রই নির্বাচনের তফসীল ঘোষণা করা হবে।

Comments

comments

Close