আজ: ২রা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার, ১৭ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৮ই রজব, ১৪৪২ হিজরি, রাত ৪:০২
সর্বশেষ সংবাদ
রাজনীতি মার্চের মাঝামাঝি শপথ নিচ্ছেন সুলতান মনসুর-মোকাব্বির

মার্চের মাঝামাঝি শপথ নিচ্ছেন সুলতান মনসুর-মোকাব্বির


পোস্ট করেছেন: মতপ্রকাশ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ২৪/০২/২০১৯ , ৯:০১ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: রাজনীতি


আগামী মার্চের মাঝামাঝি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে নির্বাচিত সুলতান মোহাম্মদ মনসুর ও গণফোরামের প্রার্থী মোকাব্বির খান।

সুলতান মোহাম্মদ মনসুর ধানের শীষ প্রতীকে মৌলভীবাজার-২ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। আর মোকাব্বির খান উদীয়মান সূর্য প্রতীকে সিলেট-২ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট একাদশ নির্বাচনকে ভোট ডাকাতির আখ্যা দিয়ে ফল বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে। তারা একাদশ সংসদে শপথ না নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে স্বাধীনতার মাস মার্চে সুলতান মনসুর ও মোকাব্বির খান শপথ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

সুলতান মনসুর শপথের দিনক্ষণ ঘোষণা না দিলেও মোকাব্বির খান ১৫ মার্চ শপথ নেবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। শনিবার প্রবাসী একটি সংগঠনের উদ্যোগে ওসমানীনগরে বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে এ ঘোষণা দেন তিনি।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর দলীয় সিদ্ধান্তে এতদিন শপথগ্রহণ থেকে বিরত ছিলেন মোকাব্বির খান। যার কারণে সংসদের প্রথম অধিবেশনে এ আসনের কোনো প্রতিনিধি সংসদে ছিলেন না। অনেকের ধারণা ছিল- শেষ পর্যন্ত এ আসনে উপনির্বাচন হবে। কিন্তু এই অনুষ্ঠানে মোকাব্বির শপথগ্রহণের দিন-তারিখ জানান। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ওসমানীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আতাউর রহমান জানান, মোকাব্বির খান জনসম্মুখে স্বাধীনতার মাসে শপথগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন।

এ বিষয়ে মোকাব্বির খান বলেন, ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার পর নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ আমাকে তাদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদে দেখার দাবি এবং অনুরোধ জানান। তাদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে আমি আমার বক্তব্যের সময় শপথগ্রহণের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করি।

এদিকে শপথ নেয়ার আগে সিলেট হজরত শাহজালাল (রহ.), হজরত শাহপরাণ (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেছেন সুলতান মনসুর।

বৃহস্পতিবার শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতকালে সর্বস্তরের মানুষ সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদের সঙ্গে স্বতঃস্ফূর্তভাবে করমর্দন করেন। এ সময় উপস্থিত জনতার সঙ্গে তিনি কথা বলেন। তাদের সঙ্গে কুশলবিনিময় করেন।

শাহজালাল ও শাহ পরাণের মাজার জিয়ারত শেষে সুলতান মনসুর স্বাধীনতাযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক এমএজি ওসমানী, সাবেক স্পিকার মরহুম হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী, সাবেক মন্ত্রী মরহুম দেওয়ান ফরিদ গাজী এবং পিতামাতার কবর জিয়ারত করেন।

পরে রাজধানী ঢাকার চকবাজারের মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করে এবং হতাহতদের জন্য বিশেষ মোনাজাত করেন সুলতান মনসুর।

Comments

comments

Close
%d bloggers like this: