আজ: ২২শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার, ৮ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৯শে জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি, সকাল ৯:০৬
সর্বশেষ সংবাদ
চটগ্রাম বিভাগ, জেলা সংবাদ খাগড়াছড়িতে সেচনালা প্রকল্পে নিন্মমানের সামগ্রী ব্যবহারে অভিযোগ

খাগড়াছড়িতে সেচনালা প্রকল্পে নিন্মমানের সামগ্রী ব্যবহারে অভিযোগ


পোস্ট করেছেন: মতপ্রকাশ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ১৮/০২/২০১৯ , ১২:০৯ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: চটগ্রাম বিভাগ,জেলা সংবাদ


মো.আকতার হোসেন,খাগড়াছড়িঃ খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি উপজেলা তিনটহরী ইউপি’র বড়বিল গ্রামের ধান্য জমিতে চাষাবাদ নিশ্চিত করতে পার্বত্য উন্নয়ন বোর্ডের সেচনালা প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পে নিন্মমানের ইট ও কংক্রীট ব্যবহার করায় স্থানীয় কৃষকরা সম্প্রতি কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন । খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার বড়বিল গ্রামের এ বিলে প্রায় ৫০একর ধান্য জমি পানি সেচের অভাবে বছরে মাত্র একবার চাষাবাদ করা হয়। পাশে  নদী থাকা সত্বেও সেচনালার অভাবে দরিদ্র কৃষকরা আউশ,আমন,বোরো চাষ করতে না পারায় প্রতিনিয়ত অভাব অনটনে ভুগছেন । দীর্ঘ দিন ওই জমির চাষীরা সেচনালা নির্মাণের দাবী জানিয়ে আসলেও প্রকল্প ব্যয় বেশি হবে বিধায় উপজেলা কিংবা জেলা পরিষদ বিষয়টি আমলে নেয়নি। অবশেষে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ কৃষকের ন্যায্য দাবী আমলে নিয়ে উক্ত বিলের চারপাশে ৩হাজার৫শত ফুট সেচনালা নির্মাণে দুই কিস্তিতে ২০ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ দিয়ে টেন্ডার আহব্বান করেন। এতে খাগড়াছড়ির ঠিকাদার মো. জহিরুল ইসলাম কাজ প্রাপ্ত হন । যথাসময়ে  কাজ শুরু হয় এবং কাজের সিংহভাগ শেষ করার পর এলাকাবাসীরা কাজে নিন্মমানের ইট ও কংক্রীট ব্যবহার হচ্ছে বলে প্রতিবাদ করেন। ঘটনাচক্রে গত ১২ ফেব্রুয়ারী বাটনাতলী ইউপি চেয়ারম্যান মো. শহীদুল ইসলাম এবং উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. জয়নাল আবেদীন ওই জনপদে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে প্রতিবাদী লোকজন বিষয়টি জনপ্রতিনিধিদের নজরে আনেন। এতে সরজমিনে দেখা যায় কাজে ২ ও ৩ নম্বর ইট এবং নিন্মমানের কংক্রীট ব্যবহার হচ্ছে! যার ফলে নেতৃবৃন্দ কাজের গুনগতমান নিরুপণ করার জন্য সংশ্লিষ্ঠ প্রকৌশলী সরোজমিনে তদন্ত না করা পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখতে নির্দেশ প্রদান করেন। এর পর হতে উক্ত সেচনালা নির্মাণ কাজটি বন্ধ রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদার মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, আমি স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ষড়যন্ত্রের শিকার! তারা চায়না বহিরাগত কেউ এলাকায় এসে কাজ করুক। অহেতুক কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলছে এবং কাজ বন্ধ রাখতে বলেছে। সংশ্লিষ্ঠ প্রকৌশলীরা তদন্ত করে দেখুক কাজে অনিয়ম হয়েছে কী না।

Comments

comments

Close