আজ: ৮ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার, ২৪শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১০ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি, রাত ১০:৪০
সর্বশেষ সংবাদ
জেলা সংবাদ, বিভাগীয় সংবাদ, রংপুর বিভাগ ঠাকুরগাঁওয়ে বিজিবি’র সাথে গ্রামবাসীর সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ১৬

ঠাকুরগাঁওয়ে বিজিবি’র সাথে গ্রামবাসীর সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ১৬


পোস্ট করেছেন: মতপ্রকাশ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ১২/০২/২০১৯ , ২:৫৬ অপরাহ্ণ | বিভাগ: জেলা সংবাদ,বিভাগীয় সংবাদ,রংপুর বিভাগ


মোঃ রুবেল রানা,ঠাকুরগাঁওঃ 

জেলার হরিপুর উপজেলার বেতনা সীমান্তে বহরমপুর গ্রামবাসীর সাথে বিজিবি’র সংঘর্ষে এবং বিজিবির গুলিতে নবাব (৩৫) সাদেক (৪৫), জয়নুল (১২) ও সাদেকুল (৩২) নামে চার গামবাসী নিহত ও বিজিবি সদস্যসহ ১৬ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার সকাল ১১ টা থেকে এই ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন হরিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এমজে আরিফ বেগ।

ওই উপজেলার রুহিয়া এলাকার নজরুল ছেলে নবাব ও মৃত জহিরউদ্দীন ছেলে সাদেক এবং বহরমপুর এলাকার নুর ইসলামের ছেলে জয়নুল ও আব্দুর রহিমের ছেলে সাদেকুল।

আহতরা হলেন, মিঠু, ইসহাদিতি, সাদেকুল, তৈমুর, রাসেল, জয়নুল, মুনতাহারা, বাবু, নওশাদ, হান্নান, জয়নুল ও নুর নাহার। এলাকাবাসী জানায়, বরহমপুর গ্রামের মাহাবুব আলী গত ০৬ মাসে আগে একটি গরু ক্রয় করে। সেই গরু আজ মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় যাদুরানী বাজারে বিক্রি করার জন্য বাড়ী থেকে বের হয়। এ সময় বেতনা ক্যাম্পের বিজিবি’র সদস্যরা ভারতীয় গরু সন্দেহে গরু গুলো বিজিবি ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়ার জন্য মাহাবুবের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিতে গেলে মাহাবুবের পরিবার ও এলাকাবাসীর সাথে বিজিবির সংঘর্ষ বাঁধে।

পরে বিজিবি’র গুলি ছোড়লে যাদুরানী বাজারের উদ্দেশ্যে আসা ২জন পথচারীসহ স্থানীয় ২ জন নিহত হয় এবং ১৬ জন গুলি বিদ্ধ হয়ে আহত হয়।

হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: আব্দুস সামাদ বলেন, গুলিবৃদ্ধ ১৪ জনের গুলি বের করে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য দিনাজপুর আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

হরিপুর থানার ওসি আমিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আনা হয়েছে। এলাকায় পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্ণেল তুহিন মো: মাসুদ বলেন, বিজিবি একটি প্ট্রোল টিম চারটি গরু জব্ধ করে ফেরার পথে চোরাকারবারীরা এলাকাবাসী দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্রনিয়ে বিজিবির উপর হামলা চালায়। তাদের শান্ত থাকতে অনুরোধ করা হলেও তারা কোন কথা শুনেনি। বরং তারা উত্তেজিত হয়ে বিজিবি অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেস্টা করে। এ সময় চার জন বিজিবি সদস্য আহত হওয়ার পর কয়েক রাউন্ড ফাকা গুলি করে। কিন্তু তারপরও পরিবেশ শান্ত না হওয়ায় আত্মরক্ষার জন্য বাধ্য হয়ে বিজিবি গুলি করে।

এঘটনার খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক ড, কেএম কারুজ্জামান সেলিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

Comments

comments

Close