আজ: ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার, ১৪ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২২শে সফর, ১৪৪৩ হিজরি, সকাল ৮:৩৮
সর্বশেষ সংবাদ
জাতীয়, প্রধান সংবাদ, বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু সেতুর নির্মাণ ব্যয়ের চেয়ে ১২৪১ কোটি টাকা বেশি টোল আদায় : সেতুমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু সেতুর নির্মাণ ব্যয়ের চেয়ে ১২৪১ কোটি টাকা বেশি টোল আদায় : সেতুমন্ত্রী


পোস্ট করেছেন: মতপ্রকাশ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ০৪/০২/২০১৯ , ৯:০৩ অপরাহ্ণ | বিভাগ: জাতীয়,প্রধান সংবাদ,বাংলাদেশ


১৯৯৮ সমাপ্ত বঙ্গবন্ধু সেতুর নির্মাণ হয়েছে ৩ হাজার ৭৪৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা। অন্যদিকে এ পর্যন্ত টোল আদায় বাবদ আদায় হয়েছে ৪ হাজার ৯৮৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মাণ ব্যয় থেকে ১ হাজার ২৪১ কোটি টাকা বেশি টোল আদায় হয়েছে।

স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সোমবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সংসদ সদস্য মামুনুর রশীদ কিরণের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

মন্ত্রী জানান, টোল বাবদ আদায়কৃত অর্থ হতে সেতুর রক্ষাবেক্ষণ ব্যয়সহ সেতু কর্তৃপক্ষের অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় নির্বাহের পর এ সেতু নির্মাণে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাসমূহের ঋণ পরিশোধ করা হয়ে থাকে। তবে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে যাওয়ায় উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাসমূহ হতে গৃহীত ঋণ সেতু হতে আদায়কৃত টোলের মাধ্যমে ২০৩৪ সাল নাগাদ পরিশোধ সম্পন্ন হবে।

সরকারি দলের অপর সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আওতাধীন বিভিন্ন মহাসড়ক সংলগ্ন কিছু অব্যবহৃত ভূমি কতিপয় অসাধু ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে অবৈধ দখল হয়। তবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের পক্ষ হতে প্রতিনিয়তই এ অসকল অবৈধ দখলের বিষয়ে মনিটর করা হচ্ছে এবং অবৈধ স্থাপনাসমূহ অপসারণ কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

সংসদ সদস্য দিদারুল আলমের প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, মোটরযানের হাইড্রোলিক হর্ন-এর বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তর হতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। এর অথরিটি থেকেও হাইড্রোলিক হর্ণের বিরুদ্ধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের মাধ্যমে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। এছাড়া ফিটনেস প্রদানকালে বিআরটিএ কর্তৃক হাইড্রোলিক হর্ন খুলে রাখা হচ্ছে।

সরকারি দলের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের জানান, রাজধানীতে সিএনজি চালিত অনুমোদিত প্রাইভেট অটোরিস্কার সংখ্যা ৪৩১টি। এ সকল অটোরিক্সাসহ ত্রুুটিপূর্ণ অন্যান্য যানবাহন, ভূয়া লাইসেন্সধারী এবং জরাজীর্ণ যানবাহনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার মাধ্যমে গত এক বছরে প্রায় ৪০ হাজার মামলায় ৬ কোটি ৭২ লাখ টাকা জরিমানা, ১৭৮টি গাড়ী ডাম্পিং স্টেশনে প্রেরণ এবং ২৭৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে।

Comments

comments

Close
%d bloggers like this: