আজ: ২২শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার, ৮ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৯শে জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি, সকাল ৮:৩৪
সর্বশেষ সংবাদ
উপমহাদেশ, প্রধান সংবাদ ইউএস-বাংলা বিধ্বংসের জন্য পাইলটকেই দুষলো নেপালি তদন্ত কমিশন

ইউএস-বাংলা বিধ্বংসের জন্য পাইলটকেই দুষলো নেপালি তদন্ত কমিশন


পোস্ট করেছেন: মতপ্রকাশ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ২৮/০১/২০১৯ , ৪:৪৩ অপরাহ্ণ | বিভাগ: উপমহাদেশ,প্রধান সংবাদ


ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজের বিধ্বংসের ঘটনায় পাইলটকেই দায়ী করলো নেপালী তদন্ত কমিশন কর্তৃপক্ষ। ২০১৮ সালের ১২ মার্চ ভয়াবহ এই দুর্ঘটনার তদন্তে এ কমিশন গঠন করা হয়েছিল। গত রোববার তারা এ ঘটনার চূড়ান্ত প্রতিবেদন পেশ করে।

ভারতের নয়াদিল্লিভিত্তিক সংবাদ সংস্থা এশিয়ান নিউজ ইন্টারন্যাশনাল (এএনআই) এএনআই জানায়, নেপালের সংস্কৃতি, পর্যটন ও বেসামরিক বিমানচালনা কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্ত কমিশন তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়।

তদন্ত প্রতিবেদনে উড়োজাহাজের পাইলট আবিদ সুলতানকেই দায়ী করা হয়েছে। এর আগেও তদন্ত চলাকালীন এ দুর্ঘটনার জন্য পাইলটকে দায়ী করেছিল দেশটির সংবাদমাধ্যম।

তদন্ত কমিশন এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের অভ্যন্তরে ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে ধূমপান নিষিদ্ধের নিয়ম আছে। কিন্তু কমিশনের হাতে  ভয়েস রেকর্ডার বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বিমানটির পাইলট ইন কমান্ড (পিআইসি) ছিলেন একজন ধূমপায়ী। বিমান চলাকালীন ককপিটে বসেই সিগারেট খাচ্ছিলেন তিনি।

কমিশন জানায়, পাইলট প্রচণ্ড মানসিক চাপে ও উদ্বিগ্ন ছিলেন। তার ধারাবাহিক কয়েকটি ভুল সিদ্ধান্তে বিএস২১১ ফ্লাইটের বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।

তবে তদন্ত কমিশনের আরও জানায়,  ক্রু সদস্যদের মধ্যে বিমান নিয়ন্ত্রণ, সঠিক পরিচালনা ও পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতনতার অভাবে ছিল।

এছাড়া ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কন্ট্রোল টাওয়ার এবং উড়োজাহাজের ক্রুদের মধ্যে যোগাযোগের বিশৃঙ্খলাকেও দায়ী করা হয়েছে।

কমিশন জানায়, ভয়েস রেকর্ডার শুনে দেখা গেছে যে, কন্ট্রোল টাওয়ার ও বিমানের ক্রুদের মধ্যে ০২ ও ২০ নাম্বার রানওয়ে নিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা ছিল।

ভয়াবহ এ বিমান দুর্ঘটনায় ক্রু ও যাত্রীসহ নিহতের সংখ্যা ৫১। উড়োজাহাজটির ৬৭ যাত্রীর মধ্যে ৩২ জন বাংলাদেশী, ৩৩ জন নেপালি, একজন মালদ্বীপের এবং একজন চীনের নাগরিক।

দুর্ঘটনায় প্রথমেই মৃত্যু ঘটে ওই ফ্লাইটের সহকারি পাইলট পৃথুলা রশিদের। তিনি ছিলেন ইউএস-বাংলার প্রথম নারী পাইলট। আহত অবস্থায় পাইলট ক্যাপ্টেন আবিদকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও পরদিন তিনিও মারা যান।

Comments

comments

Close