আজ: ৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার, ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৯শে রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি, সকাল ১১:৪৯
সর্বশেষ সংবাদ
ফেসবুক থেকে এই ছেলে গুলো অবশ্যই ইবিতে একটা চাকরি ডিজার্ভ করে

এই ছেলে গুলো অবশ্যই ইবিতে একটা চাকরি ডিজার্ভ করে


পোস্ট করেছেন: মতপ্রকাশ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ০৬/০৬/২০১৮ , ১১:২৩ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: ফেসবুক থেকে


দক্ষিণ  পশ্চিমাঞ্চলের  সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিবির এ দুটো যেন সমার্থক শব্দ ছিলো কয়েক বছর অাগেও। শিবির অধ্যুষিত এ বিশ্ববিদ্যালয় অাজ দেখার দৃষ্টিতে হলেও শিবির মুক্ত। কিন্তু একদিনে হয়নি অাজকের শিবির মুক্ত ক্যাম্পাস। অনেক ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর পরিশ্রম ত্যাগ অার প্রশাসনের  সহায়তার ফল অাজকের এই পরিবেশ। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কে শিবির মুক্ত করার প্রক্রিয়ায় যে কয়জন ব্যাক্তি সবার অাগে থাকবে অাজ এই সরকারের অামলে তারা সবচেয়ে বেশি অসহায়। গত কয়েক বছরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের খুব পরিচিত একটি নাম চাকরি প্রত্যাশী গ্রুপ। মিডিয়ার কল্যানে তাদের কে অনেকে অাবার বহিরাগত ছাত্রলীগ ক্যাডার ও বলা হয়ে থাকে। অাচ্ছা একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্য সাবেক শিক্ষার্থী গুলো কিভাবে বহিরাগত হয় সেটা অামার বুঝে অাসেনা!!! চাকরি প্রত্যাশী যারা তারা সবাই বিগত কমিটির নেতা। সরেজমিনে দেখলে এরা সংখ্যায় ও খুব বেশি তা না। চাকরি প্রত্যাশী বিশ্ববিদ্যালয়ে শত শত কিন্তু যারা ছাত্রলীগগ করেছে তাদের ত্যাগ অাছে সংগঠনের জন্য এদের সংখ্যা বড় জোর ১৫-২০ জন হবে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগঠন করার পরে চাকরি নেবার বা পাবার রেওয়াজ নতুন না।এটা একটা অাবহমান সংস্কৃতি তে পরিনত হয়েছে। চাকরী প্রত্যাশী এই ছেলে গুলো সবার প্রায় সরকারী চাকরির বয়স শেষ হয়ে গেছে। ছাত্রশিবির অার ছাত্রদলের দেয়া মিনিমাম ৫-৭ টি করে মামলা তাঁদের ঘাড়ে । গত ভিসির সময় বার বার এদের অাশ্বাস দেয়া হয়েছে তোমাদের চাকরি দেয়া হবে।  শুধু বিভিন্ন মহলের অপরাজনীতির স্বীকার হয়ে অাজ তারা সর্বোচ্চ মানবেতর জীবন যাপন পালন করছে। এদের অনেকের সাথে ব্যাক্তিগত সম্পৃক্ততা থাকায় খুব কাছ থেকে দেখেছি এদের নির্মম জীবনের কাহিনী। অনেকে হয়তো বলবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এরা তো অন্য কোথায় চাকরি করতে পারে।  হ্যা অবশ্যই পারে। প্রত্যেকের সে যোগ্যতা  অাছে। কিন্তু অাগেই বলেছি একটা চলমনা সংস্কৃতির ভিতর অাবদ্ধ এরা। বর্তমান প্রসাশন দায়িত্ব পাবার পর থেকে ইবি তার অতীত যেকোন সময়ের চেয়ে দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশরত্নের ভিশন বাস্তবায়ন করতে অার লেখাপড়ার মান সমুন্নত রাখতে বর্তমান প্রশাসন  বদ্ধ পরিকর। বর্তমান প্রশাসনের  কর্তা ব্যক্তিরা  সবাই অামাদের বিশ্ববিদালয়েরই গর্বিত মুখ গুলো অার তারা মুজিব অাদর্শের অগ্রগামী সৈনিক। কর্তা ব্যক্তিদের প্রত্যেকে এই চাকরি প্রত্যাশী সাবেক নেতাদের  ভালভাবে চিনে জানে তাদের সংগঠনের জন্য ত্যাগ সম্পর্কে অবগত। বিশ্বাস অার আস্থা আছে এই  প্রশাসনের  কাছে যে তারা ছাত্রলীগের ত্যাগী এই নেতৃবৃন্দ গুলোকে মুল্যায়ন করবে। এই ছেলে গুলো অবশ্যই ইবিতে একটা চাকরি ডিজার্ভ করে ।

 লিখেছেন- নাসিম আহমেদ জয় , ছাত্র ,অর্থনীতি বিভাগ , ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া । 

Comments

comments

Close
%d bloggers like this: