আজ: ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার, ২রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১০ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি, সন্ধ্যা ৭:২৫
সর্বশেষ সংবাদ
প্রবাস, ফিচার কোচবিহার বৃত্তান্ত

কোচবিহার বৃত্তান্ত


পোস্ট করেছেন: মতপ্রকাশ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ২৮/০৩/২০১৮ , ১০:১৬ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: প্রবাস,ফিচার


মেহেদী কাউসার ফরাজী:

 

কোচবিহার জেলা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাঞ্চলের জলপাইগুড়ি বিভাগের একটি জেলা। আয়তনের হিসেবে এটি রাজ্যের ত্রয়োদশ এবং জনসংখ্যার হিসেবে ষোড়শ বৃহত্তম জেলা। এই জেলার উত্তরে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলা; দক্ষিণে বাংলাদেশের রংপুর বিভাগ; পূর্বে অসমের গোয়ালপাড়া জেলা এবং পশ্চিমে জলপাইগুড়ি জেলা ও বাংলাদেশের রংপুর বিভাগ অবস্থিত।

ইতিহাস : বর্তমান কোচবিহার জেলাটি অতীতে বৃহত্তর কামরূপ রাজ্যের অন্তর্গত ছিল। কামরূপের রাজধানী দ্বিধাবিভক্ত হলে কোচবিহার ‘কামতা’-র অন্তর্গত হয়। সপ্তদশ শতাব্দীর মধ্যভাগে রচিত শাহজাহাননামা  গ্রন্থে কোচবিহার নামটির উল্লেখ পাওয়া যায়। অষ্টাদশ শতাব্দীতে মেজর রেনেলের মানচিত্রে কোচবিহার ‘বিহার’ নামে উল্লিখিত হয়। ১৭৭২ সালে ভুটানের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে কোচবিহার-রাজ ধৈর্যেন্দ্র নারায়ণ ও ওয়ারেন হেস্টিংসের মধ্যে একটি চুক্তি সাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির ফলে কোচবিহার ব্রিটিশদের একটি করদ রাজ্যে পরিণত হয়। ১৭৭৩ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সঙ্গে একটি চুক্তির মাধ্যমে রাজ্যটি “কোচ বিহার” নামে পরিচিত হয় এবং এর রাজধানীর নাম হয় “বিহার ফোর্ট”। উল্লেখ্য, “কোচবিহার” শব্দটির অর্থ “কোচ জাতির বাসস্থান”। কোচবিহার গেজেট অনুযায়ী, মহারাজার আদেশ অনুযায়ী রাজ্যের সর্বশেষ নামকরণ হয় “কোচবিহার”।

১৯৪৯ সালের ২৮ আগস্ট রাজা জগদ্দীপেন্দ্র নারায়ণ কোচবিহার রাজ্যকে ভারতীয় অধিরাজ্যের হাতে তুলে দেন। এই বছর ১২ সেপ্টেম্বর থেকে কোচবিহার ভারতের কমিশনার শাসিত প্রদেশে পরিণত হয়। ১৯৫০ সালের ১ জানুয়ারি ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের ২৯০-ক ধারা বলে কোচবিহার পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি জেলায় পরিণত হয়।

 

কোচ রাজবংশের বিস্তারিত বর্ণণা:

কোচ রাজবংশ (ইংরেজি ভাষায়: Koch Dynasty; অসমীয়া ভাষায়: কোচ ৰাজবংশ), কোচ জাতির নাম থেকে, অসম ও বঙ্গের অন্তর্গত কামতা রাজ্যের প্রাচীন শাসকগোষ্ঠী। ১৪৯৮ সনে খেন রাজবংশ পতনের পর ১৫১৫ সনে কোচ রাজবংশ নিজেকে শক্তিশালী রুপে প্রকাশ করে। কোচ রাজবংশের প্রথম রাজা বিশ্ব সিংহ ও তাঁর পুত্র নরনারায়ন এবং সেনাপতি চিলারাই অল্প দিনের মধ্যে কামরুপ রাজ্যের পশ্চিম অংশ ও দক্ষিণ অসমের কিছু অংশ দখল করেন। পরবর্তী সময়ে রাজবংশটি দুইটি ভাগে বিভক্ত হয়ে কোচ বিহার ও কোচ হাজো নামে শাসন করা আরম্ভ করেন। অবশেষে কোচ বিহার মোগলদের অধীনস্থ হয় ও কোচ হাজো আহোমের নিয়ন্ত্রনে আসে।

ঐতিহাসিক পটভূমি :

পাল রাজবংশ পতনের পর কামরুপ রাজ্য কয়েকটি ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত হয়। ব্রহ্মপুত্র নদের উত্তর পাড়ে শুতীয়া রাজ্য স্থাপিত হয়। ব্রহ্মপুত্র নদের দক্ষিণ পাড়ে আহোম রাজ্য ও পশ্চিমে কাছাড়ী রাজ্য, বারভূঞা রাজ্য ও কমতা রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়। কামতা রাজ্যের শেষ রাজার নাম নিলাম্বর। ১৪৯৮ সনে গৌরের আলাউদ্দিন হুসেইন সাহ নিলাম্বরকে যুদ্ধে পরাস্ত করে কামতা রাজ্য দখল করেন ও তাঁর পুত্র দানিয়েলকে কামতা রাজ্যের শাসনকর্তা ঘোষনা করেন। কিছুদিন পর হারুপ নারায়নের নেতৃত্বে বারভূঞারা দানিয়েলকে যুদ্ধে পরাস্ত করে হত্যা করেন। এই সময়ে মেস জনগোষ্ঠীর নেতা হাড়িয়া মণ্ডল ও তাঁর পত্নী হীরার গর্ভে বিশু নামক পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। বিশু পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীকে একত্রিত করে বারভূঞাদের পরাস্ত করে সমগ্র কামতা রাজ্যের শাসন নিজের হাতে ন্যাস্ত করেন। রাজসিংহাসনে বসে তিনি বিশ্ব সিংহ নামে বিখ্যাত হন।

কোচ রাজবংশের প্রারম্ভ :

কোচ রাজবংশের প্রথম রাজার নাম বিশ্ব সিংহ। তিনি ১৫১৫ সনে কামতা রাজ্যের সিংহাসনে বসেন। জে এন সরকারের মতে, তিনি ছিলেন একজন ক্ষমতাশালী কোচ জনগোষ্ঠীর লোক যা মেস, গারো, থারু ও ড্রাবিয়ান গোষ্ঠীর সংহতি ও মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর সমষ্টি ছিল।

কোচ নামক রাজ্যটি ৪র্থ থেকে ১২ শতক পর্যন্ত কামরুপ রাজ্যের অন্তর্গত ছিল ও এখানে বর্মন বংশ, পাল বংশ ও ম্লেছ বংশ রাজত্ব করেছিল। ১২ শতকে অঞ্চলটি কামতা রাজ্যের অন্তর্গত হয় ও খেন রাজবংশ রাজধানী কামতায় রাজত্ব করে। প্রখাত খেন রাজবংশের রাজারা হলেন নীলধ্বজ, চক্রধ্বজ ও নীলাম্বর। প্রায় ১৪৯৮ সন পর্যন্ত খেন রাজবংশ কামতায় রাজত্ব করেন। কিন্তু আলাউদ্দিন হুসেইন শাহ যুদ্ধে পরাস্ত করে কামতা রাজ্য দখল করেন ও পুত্র দানিয়েলকে সিংহাসনে বসান। পরবর্তী সময়ে স্থানীয় বারভূঞা ও আহোম রাজা চুহুংমংয়ের সহিত সংঘর্ষ হয় ফলে, রাজ্যটি নিয়ন্ত্রন হারায়। দানিয়েলের পতনের পর রাজ্যটিতে অশান্তি বিরাজমান হয়। বারভূঞারা কয়েকটি ছোট ছোট অঞ্চল শাসন করা আরম্ভ করেন। এদের মধ্যে হাজো নামক ব্যক্তির জীরা ও হীরা নামক দুইটি কন্যা ছিল। অঞ্চলটির অপর পাড়ে চিকনা পাহাড় নামক স্থানে হাড়িয়া মণ্ডল নামক একজন মেস নেতার শাসন ছিল। চিকনা অঞ্চলের সহিত সম্পর্ক স্থাপন করার জন্য তিনি তাঁর দুই কন্যাকে হাড়িয়া মণ্ডলের সহিত বিবাহ করান। জীরার গর্ভে মদন ও চন্দন নামক সন্তান ও হীরার গর্ভে শিশু (শিষ্য সিংহ) ও বিশু (বিশ্ব সিংহ) জন্ম গ্রহণ করেন। চারজন ভাতৃর মধ্যে বিশু (বিশ্ব সিংহ) বেশী বুদ্ধিমান ও শক্তিমান ছিলেন। বিশ্ব সিংহের পিতা হাড়িয়া মণ্ডলকে কোচ বংশের আদি পুরুষ বলা হয়।

বিশ্ব সিংহ গোত্রের প্রধানের সহযোগিতা চান এবং শক্তিশালী বারভূঞাদের পরাস্ত করার জন্য ১৫০৯ সনে অভিযান চালান। তিনি ঔগুরি, বনগাঁও, ফুলগুরী, বিজনী ও পাণ্ডুতে বারভূঞাদের পরাস্ত করেন। ১৫১৫ সনে তিনি পূর্বে বরনদী ও পশ্চিমে করতোয়া নদীকে সীমানা নির্ধারন করে নিজেকে কামতা রাজ্যের রাজা রুপে প্রকাশ করেন। তিনি রাজধানী চিকনা থেকে কামতাপুরে (বর্তমানে কান্তাপুর) স্থানান্তর করেন।

বিশ্ব সিংহ ক্ষমতায় আসার পর ব্রাহ্মণ পণ্ডিতদের কোচ রাজবংশের দৈবীক শক্তির অধিকারী বলে প্রচার করে তাঁদের ক্ষত্রিয়ের মর্যদা দেন। এইভাবে তাঁরা হিন্দুধর্মাবলম্বী হয়ে পড়েন।

ভূগোল :

সমগ্র কোচবিহার জেলাটি উত্তরবঙ্গ সমভূমির অন্তর্গত। জেলার প্রধান নদ-নদীগুলি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সামান্য ঢাল বরাবর প্রবাহিত হয়েছে। এখানকার ভূভাগ উঁচু-নিচু। কোনো কোনো অঞ্চল এতটাই নিচু যে বর্ষাকালে নদীর দু-কূল ছাপিয়ে বন্যা দেখা দেয়। জেলার উচ্চভূমি অঞ্চলটি শীতলকুচি ব্লকের লালবাজারে ও নিম্নভূমি অঞ্চলগুলি দিনহাটা মহকুমায় অবস্থিত। এই জেলায় কোনো পাহাড় বা পর্বত নেই। তবে, বিভিন্ন এলাকায় একাধিক বিশালাকার ঝিল দেখতে পাওয়া যায়।

নদ-নদী :

কোচবিহার জেলার ছয়টি প্রধান নদী হল তিস্তা, জলঢাকা, তোর্সা, কালজানি, রায়ডাক ও গদাধর। এই নদীগুলি উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পূর্বে প্রবাহিত। হিমালয় থেকে উৎপন্ন এই নদীগুলি জলপাইগুড়ি জেলার পশ্চিম ডুয়ার্স অঞ্চল থেকে কোচবিহার জেলায় প্রবেশ করেছে। কেবল মাত্র গুম্মন নদটি ডুয়ার্স থেকে উৎপন্ন। কোচবিহারের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের রংপুর বিভাগে প্রবেশ করে শেষে ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়েছে এইসব নদী। নদীগুলির পাড় উঁচু-নিচু ও নদীতল বালুকাময়। বড় নদীগুলিতে প্রচুর পরিমাণে বোল্ডার দেখা যায়। বর্ষাকালে বন্যা, নদীপাড় ক্ষয় ও মৃত্তিকাক্ষয় দেখা যায়। গ্রীষ্মকালে তিস্তা ছাড়া অন্য নদীগুলিতে বিশেষ জল থাকে না। জেলার অন্যান্য নদীগুলির মধ্যে শানিয়াজান, বুটামারা, মাতাঙ্গণ, কুমনাই, গিলান্ডি, ডুডুয়া, মুজনাই, ডোলং প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। বারবার নদীখাত পরিবর্তনের ফলে পরিত্যক্ত নদীখাতগুলি কালক্রমে ঝিল বা বিলে পরিণত হয়। এই ঝিলগুলি বৃষ্টির জলে পুষ্ট। এখানে মৎসচাষ করা হয় এবং সেচের জল পাওয়া যায়। জেলার উল্লেখযোগ্য বিলগুলি হল ভেরভেরি, চম্পাগুড়ি, সুকানিম, সকজল, সিতল, পানিগ্রাম, জগৎবের প্রভৃতি।

আবহাওয়া ও জলবায়ু :

কোচবিহার জেলার জলবায়ু অতিরিক্ত আর্দ্রতাযুক্ত ও মধ্যম রকমের উষ্ণ। জেলায় গ্রীষ্মকাল মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত এবং শীতকাল নভেম্বরের মধ্যবর্তী সময় থেকে ফেব্রুয়ারির শেষভাগ পর্যন্ত স্থায়ী হয়। জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বর্ষাকাল। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বর্ষায় এই অঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে। গ্রীষ্মকালে জেলার গড় উষ্ণতা থাকে সর্বোচ্চ ৩৬° সেন্টিগ্রেড থেকে সর্বনিম্ন ১৯° সেন্টিগ্রেড; আবার শীতকালের গড় উষ্ণতা সর্বোচ্চ ২৭° সেন্টিগ্রেড থেকে সর্বনিম্ন ৮° সেন্টিগ্রেড। জেলার গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ২,৫০০-৩,২০০ মিলিমিটার। বার্ষিক ৭০ শতাংশ বৃষ্টিপাত দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবেই হয়ে থাকে। বর্ষায় ঘূর্ণবাত ও নিম্নচাপ কেন্দ্র সৃষ্টি হয়ে অতিভারী বৃষ্টিপাত ও তীব্র বায়ুপ্রবাহ দেখা যায়। বর্ষার শুরুতে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত হয়। অক্টোবর থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত আকাশ মেঘমুক্ত বা প্রায় মেঘমুক্ত থাকে।

মাটির প্রকৃতি :

কোচবিহারের মৃত্তিকা পাললিক প্রকৃতির। অধিকাংশ আলগা বালিমাটি, উপরের স্তরের দোঁয়াশ মাটি প্রায় সব জায়গাতেই তিন ফুট গভীর। কোথাও কোথাও এই গভীরতা আরও কম এবং তার নিচে বালিস্তর বিদ্যমান। পূর্বদিকের কালো দোঁয়াশ মাটি বাদ দিলে সর্বত্রই মাটি ছাই রঙের। উপরের স্তরের মাটির জলধারণ ক্ষমতা কম বলে আর্দ্রতা ধরে রাখার অনুপযোগী।

সংস্কৃতি : কোচবিহারের জনপ্রিয় লোকসংঙ্গীত হল ভাওয়াইয়া ।

শিক্ষা : কোচবিহার পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়‚ পুন্ডিবারী কোচবিহার আচার্য ব্রজেন্দ্রনাথ স্মৃতি মহাবিদ্যালয়, তুফানগঞ্জ মহাবিদ্যালয়, মেখলীগঞ্জ মাহাবিদ্যালয়, দিনহাটা মহাবিদ্যালয়, মাথাভাঙ্গা মহাবিদ্যালয় ইত্যাদি বিশ্ববিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয় ও বহুসংখ্যক উচ্চ ও নিম্ন-বিদ্যালয় এই জেলার অন্তর্গত৷

দর্শনীয় স্থান :

কোচবিহার রাজবাড়ি (অপর নাম ভিক্টর জুবিলি প্যালেস) হলো ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কোচবিহার শহরের একটি দর্শনীয় স্থান। ১৮৮৭ সালে মহারাজা নৃপেন্দ্র নারায়ণের রাজত্বকালে লন্ডনের বাকিংহাম প্রাসাদের আদলে এই রাজবাড়িটি তৈরি হয়েছিল।

কোচবিহার রাজবাড়ি ইষ্টক-নির্মিত। এটি ক্ল্যাসিক্যাল ওয়েস্টার্ন শৈলীর দোতলা ভবন। মোট ৫১,৩০৯ বর্গফুট (৪,৭৬৬.৮ মি) এলাকার উপর ভবনটি অবস্থিত। বাড়িটি ৩৯৫ ফুট (১২০ মি) দীর্ঘ ও ২৯৬ ফুট (৯০ মি) প্রশস্ত। এর উচ্চতা ৪ ফুট ৯ ইঞ্চি (১.৪৫ মি)। ভবনের কেন্দ্রে একটি সুসজ্জিত ১২৪ ফুট (৩৮ মি) উঁচু ও রেনেসাঁ শৈলীতে নির্মিত দরবার হল রয়েছে। এছাড়া বাড়িতে রয়েছে ড্রেসিং রুম, শয়নকক্ষ, বৈঠকখানা, ডাইনিং হল, বিলিয়ার্ড হল, গ্রন্থাগার, তোষাখানা, লেডিজ গ্যালারি ও ভেস্টিবিউল। যদিও এই সব ঘরে রাখা আসবাব ও অন্যান্য সামগ্রী এখন হারিয়ে গিয়েছে।

লেখক: শিক্ষার্থী, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়, ইমেইল[email protected]

Comments

comments

Close
%d bloggers like this: