আজ: ১১ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার, ২৮শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৯শে শাবান, ১৪৪২ হিজরি, রাত ৪:৫০
সর্বশেষ সংবাদ
জাতীয়, প্রধান সংবাদ ঢাকা থেকে রোহিঙ্গাদের ভুয়া জন্মসনদ সংগ্রহ, ডিএসসিসির তদন্ত কমিটি

ঢাকা থেকে রোহিঙ্গাদের ভুয়া জন্মসনদ সংগ্রহ, ডিএসসিসির তদন্ত কমিটি


পোস্ট করেছেন: মতপ্রকাশ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ২৭/০৩/২০১৮ , ৬:৫৬ অপরাহ্ণ | বিভাগ: জাতীয়,প্রধান সংবাদ


ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) অঞ্চল-২ থেকে দুটি জাল সনদ গ্রহণ করার প্রমাণ পেয়েছে রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়। স্থায়ী ঠিকানা কক্সবাজার এবং বর্তমান ঠিকানা ঢাকা দেখিয়ে এই জন্ম সনদ তুলছে রোহিঙ্গারা।

এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপ-রেজিস্ট্রার জেনারেল (যুগ্ম-সচিব) মো. মাহবুব-উল আলম স্বাক্ষরিত এক চিঠি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বরাবর পাঠানো হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে উপ-রেজিস্ট্রার জেনারেল (যুগ্ম-সচিব) মো. মাহবুব-উল আলম বলেন, এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা একটি চিঠি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে পাঠিয়েছি। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। আমাদের দিক থেকেও সেই তদন্ত কমিটিতে একজন প্রোগ্রামারকে সদস্য রাখা হয়েছে। যেহেতু এটা একটা টেকনিকাল বিষয় সেহেতু তদন্তের গভীর পর্যন্ত যেতে কিছু সময় লাগবে।

জানা গেছে, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি এক চিঠিতে বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ের থেকে পাঠানো চিঠির বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শেখ সালাউদ্দিন বলেন,আমরা এ বিষয়ে একটি চিঠি পেয়েছি। সে অনুযায়ী তদন্তের কাজ চলছে। রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ের পক্ষ থেকেও একজন এই কমিটিতে আছেন। সকল তথ্য বিবেচনা করে তদন্তের কাজ চলছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন থেকে ফোনে রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ে ভুয়া সনদের বিষয়ে অভিযোগ করা হয়। কক্সবাজার থেকে পাওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে দেখা যায়, জন্ম সনদ দুটিতে স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে কক্সবাজার জেলার নাম উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু এই জন্ম সনদ দুটি ইস্যু করা হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অঞ্চল-২ থেকে।

রেজিস্ট্রার জেনারেলের অফিস থেকে জন্ম সনদ দুটি পর্যালোচনা করে জানা গেছে, সনদ দুটির জন্ম নিবন্ধন নম্বরের শেষ ৬ অঙ্ক একই। সনদ দুটি একই বই এবং একই পাতায় লিপিবদ্ধ। কিন্তু একই পাতায় দুটি সনদের সিরিয়াল নম্বর একই রকম হওয়া সম্ভব নয়। জন্ম সনদ দুটির কক্সবাজার জেলার বদরখালী ইউনিয়নের এরিয়া কোড। অথচ জন্ম সনদ দুটি ডিসিসি অঞ্চল-২ থেকে ইস্যু করা হয়েছে। জন্ম সনদ দুজন আলাদা ব্যক্তির অথচ তাদের বর্তমান ঠিকানা একই।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনেকে ধারণা করছেন,কোন ব্যক্তির জন্ম সনদ থাকলে তার জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকলেও যেহেতু পাসপোর্ট তৈরি করা যায় তাই এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে মানবপাচারকারীরা। রোহিঙ্গাদের ভুয়া সনদ তৈরি করে মোটা অঙ্কের টাকা উপার্জনে জড়িত থাকতে পারে সিটি কর্পোরেশনের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা।

Comments

comments

Close
%d bloggers like this: