আজ: ৩রা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার, ১৮ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৯শে রজব, ১৪৪২ হিজরি, সকাল ৮:২৮
সর্বশেষ সংবাদ
জাতীয়, প্রধান সংবাদ ‘সাজা দিয়েছেন কোর্ট, এখানে সরকারের কিছু করার নেই’- প্রধানমন্ত্রী

‘সাজা দিয়েছেন কোর্ট, এখানে সরকারের কিছু করার নেই’- প্রধানমন্ত্রী


পোস্ট করেছেন: মতপ্রকাশ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ২৮/০২/২০১৮ , ১২:০৪ অপরাহ্ণ | বিভাগ: জাতীয়,প্রধান সংবাদ


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, খালেদা জিয়ার মামলার রায় বের হওয়ার আগেই বিএনপি দলের গঠনতন্ত্র সংশোধন করে দুর্নীতিবাজদের পদে থাকার সুযোগ করে দিয়েছে। এর মানে দুর্নীতিকে নীতি হিসেবে গ্রহণ করে নিয়েছে।

বুধবার জাতীয় সংসদে ১৯তম অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা গঠনতন্ত্রে দুর্নীতিকে আশ্রয় দেয় আর দুর্নীতিবাজকে নেতা হিসেবে গ্রহণ করে, তারা জনগণের জন্য কী কাজ করবে? তারা লুটপাট করতে পারবে। মানুষ খুন করতে পারবে। দুর্নীতি করতে পারবে কিন্তু মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারবে না।

বিএনপি নেত্রী কারাগারে যাবে এটা আগেই টের পেয়ে গঠনতন্ত্র পরিবর্তন করছে কিনা, সেই প্রশ্ন রেখে শেখ হাসিনা বলেন, একজন সাজাপ্রাপ্ত হয়ে জেলে যাওয়ার সঙ্গে-সঙ্গে সাজাপ্রাপ্ত আরেকজনকে দায়িত্ব দিলো, তিনি আবার দেশেও থাকেন না, পলাতক। দেশের ভেতর বিএনপিতে কি একজন লোকও নেই, যে যাকে দায়িত্ব দেওয়া যায়? অবশ্য বিএনপির প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই তো দুর্নীতির মামলা রয়েছে। এই যদি রাজনৈতিক দলের অবস্থা হয়। তাহলে সেই দল দেশকে কী দেবে?

খালেদা জিয়ার দুর্নীতির মামলার রায় প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের নামে এতিমদের জন্য টাকা এসেছিল। সেই অরফানেজটা কোথায়? ২৭ বছর আগে টাকা এসেছে। সেই টাকা নয়-ছয় করেছে। তখনকার আমলে ২ কোটি টাকার মূল্য কত ছিল? ওই টাকায় তখন ধানমন্ডিতে ১০/১২টা ফ্ল্যাট কেনা যেতো। তারা দুই কোটি টাকার লোভ সামলাতে পারলো না। সেই এতিমদের সাহায্য না করে সেই টাকা আত্মসাৎ করলো। আর এখানে আমাদের দোষ কোথায়? এটা খুঁজে দিয়েছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আর মামলা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। ১০ বছর ধরে এই মামলা চলে এসেছে। তারপর শাস্তি হয়েছে। সাজা দিয়েছেন তো কোর্ট। এখানে সরকারের কিছু করার নেই। এই টাকা এতিমদের মধ্যে বিলিয়ে দিলে তো এটা হতো না।

দুর্নীতি দমন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করছে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতিকে আমরা প্রশ্রয় দিতে চাই না। আমাদের এমপি-মন্ত্রী কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে, তাদের (দুদকের) যদি সন্দেহ হয়, তাহলে তাদের ডেকে নিতে জিজ্ঞাস করতে পারে। আমরা কোনও হস্তক্ষেপ করি না, করবো না। কারও দুর্নীতি প্রমাণ হলে যে সাজা পারে। কোর্ট আদেশ দিলে আমাদের মন্ত্রীরা সেখানে গিয়ে হাজির হচ্ছে।

বিচারের রায় নিয়ে বিএনপির কোনও কোনও নেতা ‍হুমকি দিচ্ছে মন্তব্য করে সংসদ নেতা বলেন, চোরকে চোর বলিও না, দুর্নীতিবাজকে দুর্নীতিবাজ বলিও না। এটাই শিক্ষা হবে বাংলাদেশে? অপরাধীদের অভয়ারণ্য হবে? তারা তো হবে না। আমরা তা চাই না। আমরা বাংলাদেশকে শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।

Comments

comments

Close
%d bloggers like this: