আজ: ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার, ২রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১০ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি, সন্ধ্যা ৭:২২
সর্বশেষ সংবাদ
জাতীয়, বিনোদন, বিভাগীয় সংবাদ এসএম সুলতানের ২৩তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত হল নড়াইলে

এসএম সুলতানের ২৩তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত হল নড়াইলে


পোস্ট করেছেন: মতপ্রকাশ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ১০/১০/২০১৭ , ২:৩৩ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: জাতীয়,বিনোদন,বিভাগীয় সংবাদ


ভোরের খবর ডেস্ক- বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের ২৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মঙ্গলবার পালিত হয়েছে। সকালে এ উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও সুলতান ফাউন্ডেশন শিল্পীর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, মাজার জিয়ারত, কোরআনখানি, মিলাদ মাহফিল, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা আয়োজন করে।
শহরের মাছিমদিয়ায় সুলতানের শিশুস্বর্গে এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও এস এম সুলতান ফাউন্ডেশনের সভাপতি মোঃ এমদাদুল হক চৌধুরী। এসময় বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রমাসক(রাজস্ব) কাজী মাহাবুবুর রশীদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা সেলীম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আজিম উদ্দিন, চিত্রশিল্পী বলদেব অধিকারী, জেলা পরিষদের সদস্য সাইফুর রহমান হিলু, এস এম সুলতান বেঙ্গল আর্ট কলেজের অধ্যক্ষ অশোক কুমার শীল, নড়াইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট আলমগীর সিদ্দিকী, অধ্যক্ষ রওশন আলী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মলয় কুমার কুন্ডু, হানিফ শেখ প্রমূখ।
উল্লেখ্য, নড়াইলের চিত্রা নদীর পাশে সবুজ শ্যামল ছায়াঘেরা, পাখির কলকাকলীতে ভরা শহরের মাছিমদিয়া গ্রামে ১৯২৪ সালের ১০ আগষ্ট জন্মগ্রহণ করেন শিল্পী এস এম সুলতান (লাল মিয়া)। পিতা মোঃ মেছের আলি আর মাতা মোছাঃ মাজু বিবি।
চিত্রশিল্পী এস, এম, সুলতানের ৭০ বছরের জীবনে তিনি তুলির আঁচড়ে দেশ, মাটি, মাটির গন্ধ আর ঘামে ভেজা মেহনতী মানুষের সাথে নিজেকে একাকার করে সৃষ্টি করেছেন “পাট কাটা”, “ধানকাটা”, “ ধান ঝাড়া”, “ জলকে চলা”, “ চর দখল”, “গ্রামের খাল”, “মৎস্য শিকার”, “গ্রামের দুপুর”, “নদী পারা পার”, “ধান মাড়াই”, “জমি কর্ষনে যাত্রা”, “মাছ ধরা”, “নদীর ঘাটে”, “ধান ভানা”, “গুন টানা”, “ফসল কাটার ক্ষনে” , “শরতের গ্রামীন জীবন”, “শাপলা তোলা” মত বিখ্যাত সব ছবি। ১৯৫০ সালে ইউরোপ সফরের সময় যৌথ প্রদর্শনীতে তার ছবি সমকালনী বিশ্ববিখ্যাত চিত্র শিল্পী পাবলো পিকাসো, ডুফি, সালভেদর দালি, পলক্লী, কনেট, মাতিসের ছবির সঙ্গে প্রদর্শিত হয়। সুলতানই একমাত্র এশিয়ান শিল্পী যার ছবি এসব শিল্পীদের ছবির সঙ্গে একত্রে প্রদর্শিত হয়েছে। কালোর্ত্তীন এ চিত্রশিল্পীকে ১৯৮২ সালে একুশে পদক, ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের রেসিডেন্স আটির্ষ্ট হিসেবে স্বীকৃতি, ১৯৮৬ সালে চারুশিল্পী সংসদ সম্মাননা এবং ১৯৯৩ সালে রাষ্টীয় ভাবে স্বাধীনতা পদক প্রদান করা হয়।
বিশ^ বরেণ্য চিত্রশিল্পী এসএম সুলতান ১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর যশোরের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে শিল্পী সুলতান মারা যান।

Comments

comments

Close
%d bloggers like this: